রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সিলেটে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাদ্য বাজিয়ে শিক্ষার্থী বরণ



 করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে আসায় দীর্ঘ দেড় বছর পর আজ রোববার সরকারি নির্দেশনায় সারাদেশের মতো সিলেটেও খুলেছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেন শুরু হয়েছে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে সশরীরে পাঠদান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ বিরাজ করছে। সিলেট নগরের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রবেশের সময় ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। আর প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শরীরের তাপমাত্রা মাপার পর শিক্ষার্থীদের সাবান দিয়ে হাত ধুইয়ে অথবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত স্যানিটাইজ করে শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করানো হয়।

এদিকে সিলেটের সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাদ্য বাজিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়ে বরণ করে নেন শিক্ষকরা। এদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে স্কুলে আসতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা। তখন বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ঢোল, বাঁশি, ঝুনঝুনি বাজিয়ে শিক্ষার্থীদের অভ্যর্থনা জানান শিক্ষকরা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে প্রবেশের সাথে সকল শিক্ষার্থীর তাপমাত্রা মাপা হয় ও হাত ধোয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়।

 

রোববার সকালে সরজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ভবনের ফটক পর্যন্ত বেলুন দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। প্রবেশের পরই ‘wellcome to school’ লিখা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের দেয়ালে দেয়ালে কোভিড সচেতনতামূলক বার্তা লিখে রাখা হয়েছে। সকল শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা মেপে বেসিনে হাত ধুয়ে ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ক্লাস রুমে প্রবেশ করানো হয়েছে। এবং ক্লাসরুমে বেঞ্চের মার্ক করা নির্দিষ্ট জায়গায় বসানো হয়েছে।

সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন পর শিক্ষার্থীরা ক্লাস করবে। তাই তারা যেন উৎসব আমেজ পায় সেই লক্ষে বাদ্য বাজনা বাজিয়ে তাদের আমরা অভ্যর্থনা জানিয়েছি। শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা শিক্ষার্থীদের স্কুলে এনেছি। শিক্ষার্থীরা যেন উৎফুল্ল থাকে, শারীরিক ও মানসিক ভাবে যেন তারা সুস্থ থাকে সে ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করবো পাঠদানে।


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য