রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১

ছুটি না নিয়ে রাতেই কুষ্টিয়ায় আসেন এএসআই, সকালে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা

 


ছুটি না নিয়েই রাতের আঁধারে কর্মস্থল খুলনার ফুলতলা থানা থেকে কুষ্টিয়ায় আসেন এএসআই সৌমেন রায়। সকালে প্রকাশ্যে দিবালোকে সাবেক স্ত্রী-সন্তান ও স্ত্রীর ছেলে বন্ধুকে গুলি করে হত্যা করেন তিনি।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সৌমেনের সাবেক স্ত্রী আসমা, তার সাত বছরের ছেলে রবিন ও ছেলে বন্ধু শাকিল। তাদের সবার বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সাওতা গ্রামে।

এ ঘটনায় সৌমেনকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী। সৌমেনের বাড়ি মাগুরা জেলায়। তিনি ফুলতলা থানায় কর্মরত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় একটি দোকানের সামনে আসমা ও সৌমেন কথা বলছিলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ সৌমেন পিস্তল বের করে আসমার মাথায় গুলি করেন। গুলি তার মাথা ভেদ করে বেরিয়ে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। এরপর তিনি শাকিলকেও মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় রক্ত দেখে শিশু রবিন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাকেও ছাড়েননি সৌমেন। তেড়ে ধরে তার মাথায়ও গুলি চালান। এরপর সৌমেনকে ধরে পুলিশে খবর দেন এলাকার লোকজন।

জানা গেছে, বছরখানেক আগে আসমার সঙ্গে সৌমেনের বিয়ে হয়েছিল। রবিন আসমার আগের পক্ষের সন্তান। শাকিল ও সৌমেন বন্ধু ছিলেন। আসমার মাধ্যমেই সৌমেনের সঙ্গে শাকিলের বন্ধুত্ব হয়। আসমার আগে সৌমেনও আরেকটি বিয়ে করেন।

এ ব্যাপারে খুলনার এসপি মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, আটক সৌমেন রায় ফুলতলা থানার এএসআই। আজ সকাল থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। তিনি ছুটি না নিয়ে আনঅফিশিয়ালি কুষ্টিয়ায় চলে গেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য