বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

বাউফলে বন কর্মকর্তার সহায়তায় সরকারি গাছ হরিলুট




 বাউফলের বন কর্মকর্তার দোহাই দিয়ে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বেড়িবাঁধে সৃষ্ট সামাজিক বনায়ণের প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নিয়ে গেছে আলম হাওলাদার(৫৫) নামের এক প্রভাবশালী। ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডরে চর আলগী গ্রামে বৃহষ্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) এ ঘটনা ঘটেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের মো. আলম হাওলাদার (৬০) নামের এক ব্যক্তি উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদের দোহাই দিয়ে প্রায় বিশটি বড় সাইজের রেইনট্রি ও কয়েকটি মেহগানিসহ অন্যান্য প্রজাতির প্রায় ত্রিশটি গাছ কেটে নিয়ে গেছে। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ কাটা গাছ অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে। শ্রমিক নিয়ে বাকি গাছগুলোও কাটাচ্ছেন। কিছু গাছের খন্ড এখনো বেড়িবাঁধের পাশে পড়ে রয়েছে।

চর আলগী বেড়িবাঁধ সামাজিক বনায়ণের উপকারভোগী কমিটির সভাপতি মো. আমির আলী হাওলাদার বলেন, ১৯৯৪ সালে সরকারের বন বিভাগ বেড়িবাঁধের দু’পাশে সামাজিক বনায়ণের আওতায় রেইনট্রি, মেহগানি, শিশুসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়েছেন। বনায়ণের উপকারভোগির সংখ্যা চল্লিশ জন। আলম হাওলাদার আমাদেরকে না জানিয়েই বন কর্মকর্তার সাথে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে গাছ কেটে নিয়ে গেছেন। শেষ মূহূর্তে খবর পেয়ে উপকারভোগীরা কিছু গাছ আটক করেছে।

এবিষয়ে আলম হাওলাদার বলেন, বন কর্মকর্তা কালাম স্যারের সাথে কথা বলেই আমি গাছ কেটেছি। বিষয়টি জানতে বাউফল উপজেলা বন কর্মকর্তা মো.আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনের ০১৭১২০১৫০৮৫ নম্বরে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনিফোন রিজিভ করেননি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন জানান, আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য