মাগুরা শহরতলীর পারনান্দুয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। নি’হত নারী আইনজীবী ঐ গ্রামের তমাল মাহমুদের স্ত্রী’।
এদিকে নি’হত নারী আইনজীবীর অ’ভিযু’ক্ত স্বামী তমাল নিজের বাড়ির কাজের মে’য়েকে আগেই বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেছেন। তবে বিয়ের পক্ষে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। অ’পরদিকে অ’ভিযু’ক্ত কাজের মহিলা স্বামী পরিত্যাক্তা বলে জানা গেছে।
রূপার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১২ বছর আগে রূপার সঙ্গে মাগুরা শহরতলীর পারনান্দুয়ালী গ্রামের তমাল মাহমুদের বিয়ে হয়। আইনজীবী হিসেবে সনদ প্রাপ্তির পরই এ্যাডভোকেট শাখারুল ইস’লাম শাকিলের চেম্বারে জুনিয়র হিসেবে কাজ করতেন রূপা। এ সুযোগে বাড়ির কাজের মহিলার সঙ্গে অ’বৈধ স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে স্বামী তমাল। পরে তাদের মধ্যে শারীরিক স’ম্পর্ক হলে অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ে কাজের ঐ মহিলা। তখন বিষয়টি রূপার নজরে আসে।

এ ব্যাপারে রূপা তার পরিবারে নিকট জানালে গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জে’লার টুঙ্গীপাড়া থেকে রোববার তারা তমালের বাড়িতে আসেন। রাতে স্ত্রী’ রূপা তার স্বামীর নিকট অ’নৈতিক কর্মকা’ণ্ডের জবাব চাইলে তমাল তার ওপর নি’র্যাতন চালিয়ে সকালেই বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে।
এরপর রোববার রাতেই স্বামীর ওপর অ’ভিমান করে ঘরে থাকা কিটনাশক পান করে এই নারী আইনজীবী। বিষয়টি জানতে পেরে আশ’ঙ্কাজনক অবস্থায় রূপাকে মাগুরা হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে সোমবার ভোর রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য রূপাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বেলা ১১টায় মা’রা যান রূপা। এতে পুরো আ’দালত চত্বরে নেমে আসে শোকের ছায়া
এ বিষয়ে নি’হত আনইনজীবী রূপার অ’ভিযু’ক্ত স্বামী তমাল মাহমুদ দাবি করেন, তিনি তার বাসার কাজের মহিলাকে আগেই ‘বিয়ে’ করেছেন। তবে বিয়ের পক্ষে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
নি’হত রূপা গোপালগঞ্জ জে’লার পূর্ব টুঙ্গীপাড়ার নবীর হোসেনের মে’য়ে।
রূপার সহকর্মী আইনজীবীরা গণমাধ্যমকে বলেন, রূপার মত সদা হাস্যজ্জল ও সহ’জ সরল মনের অধিকারী মে’য়ের পক্ষে কিটনাশক পান করার ঘটনা কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এটি আত্মহ’ত্যা নাকি পরিক’ল্পিত হ’ত্যা তা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে আ’দালত পাড়ায়।

0 coment rios:
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য