রবিবার, ১৭ মে, ২০২০

খুনের দ্বায় স্বীকার করলো খুনি কিন্তু সংবাদকর্মীসহ অন্যাদেরকে ফাঁসানোর গভীর ষড়যন্ত্র!

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার আঠার বাড়ীয়া গ্রামের কৃষক ইশাদ আলীকে গত ১৮ই এপ্রিল বাজিতপুর থানার সরারচর রেলগেইট সংলগ্ন স্থানে দিবালোকে বেলা প্রায় একটার দিকে বসতবাড়ির সীমানা ও মামলা মোকদ্দমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এবং হত্যাকারীর মায়ের সাথে ভিকৃটিমের অশ্লীল আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে এককভাবে দা দিয়ে দুটো কুপ দেয় বলে নির্দ্বিধায় ২নং আসামি সৈয়দ আলী নিজেই এর দায় স্বীকার করে। আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পাশ্ববর্তী জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিক্টিমকে নেয়া হলে অধিকতর রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যু হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এ ঘটনায় স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সরেজমিন পুলিশ তদন্তেও খুনি একজন বলেই শুরু থেকেই অনুসন্ধানে জানিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুলিশ প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সদা তৎপর থেকে ২নং আসামি সৈয়দ আলী ও ৩নং আসামি আহম্মদ আলীকে ঢাকার মুগদা মাণ্ডা থানাধীন একটি পাঁচ তলা বাসার উপরতলা হতে বাজিতপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা সহ অন্যান্য পুলিশের সহযোগিতায় গত ৯মে ২০২০খ্রি. রোজ শুক্রবার বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে গ্রেফতার করে বাজিতপুর থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সেখানেও ২নং আসামি একাকী এ ঘটনার দায় স্বীকার করে। পরবর্তী ১২মে রোজ মঙ্গলবার সকালে কিশোরগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হলে কর্তব্যরত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ১৬৪ ধারা মোতাবেক আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেন। সেখানেও ২নং আসামি তার ব্যাখ্যা তুলে ধরে একপর্যায়ে স্বীকার করে সে একাই এই ঘটনার জন্য দায়ী। অথচ বিভিন্ন সময়ের প্রতিবাদের জের স্বরূপ এমনকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৯ কিমি.দূরে কর্তব্যরত কাজে নিজ বাড়ি নিকলী থানাধীন জারইতলায় অবস্থানরত প্রতিবাদী সাংবাদিককে একটি কুচক্রী মহল এই সাজানো মামলায় ফাঁসানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকে নিরিহ আরো ১৫জনকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে জামশেদ আলী খুনের ঘটনায় জড়িত নয় দাবি করে মাননীয় পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জ ও মাননীয় মহাপুলিশ পরিদর্শক হেডকোয়ার্টার বরাবরে মেইলের মাধ্যমে ঘটনার দিন গত ১৮ এপ্রিল ২০২০খ্রি. তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনের অবস্থান ও কার্যক্রম প্রমাণের লক্ষ্যে কললিস্ট যাচাইয়ের অনুমতি চেয়ে আবেদনও করেছেন। ঘটনার দিন তিনি জেলা পরিষদের সদস্যের ত্রানের অনিয়মের বিষয়ে নিকলী উপজেলার সাতজন বর্তমান চেয়ারম্যান ও গনমাধ্যম কর্মীসহ প্রায় ৩০জনের অধিক ব্যক্তিদের সাথে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে থেকে কথা বলেছেন দাবি করে বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ এমনকি একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদের জের স্বরূপ সাজানো মামলায় আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি এই সাজানো মামলার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক অব্যহতি প্রার্থনা করছি এবং গভীর ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করছি।
এ হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুযোগ সন্ধানীরা পাল্টা খুনে ব্যর্থ হয়ে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে অনধিকার প্রবেশ পূর্বক ক্ষয়ক্ষতি ও লুটে নিয়েছে প্রায় ২কোটি টাকার নগদ অর্থ ও মালামাল, বিভিন্ন সময়ের দশ্যূদের দ্বারা অনেক নারী হয়েছে সম্ভ্রমহানির স্বীকার, লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে ৩০টি পরিবারের ঘরবাড়ি। দিশেহারা হয়ে নীড় হারা কয়েক শত লোক। এখনো থেমে নেই লুটপাট, কেটে নিচ্ছে জমির পাকা ধান ও মুল্যবান গাছপালা। নিস্তব্ধ প্রতিবাদের বিবেক, স্থানীয় নেতা-কর্মীসহ বিচারের দায়িত্বে বহাল ব্যক্তিদের নিকটে বার বার নারীরা কাকুতি মিনতি করে যাচ্ছেন। মিলেনি কোন ন্যায় বিচারের সহযোগিতা। শিশু-কিশোরদের পড়াশোনা পর্যন্ত লাটে উঠছে। প্রমাণ আছে অতীতেও একাধিকবার সুবিধাভোগী লুটতরাজের অত্যাচারে হয়েছে অসংখ্য পরিবার নীড় হারা, লুটে নিয়েছে সবকিছু এমনকি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে ঘর-বাড়ি। যার প্রমাণ স্বরূপ রয়েছে আদালতে এখনো চাঁদাবাজি মামলাসহ অসংখ্য মামলা। আহম্মদ আলীর পরিবারকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকাসত্ত্বেও নীড় হারা করে রেখেছে দফায় দফায় প্রায় তিন যুগের উপরে।
বর্তমানে এদের অধিকাংশই ঘটনার ৯কিমি. দূরে অবস্থান করে প্রতিশোধের নেশায় হয়েছে সাজানো স্বাক্ষী দাবি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর।
 সুত্র অনলাইন সংস্করণ


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য