অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

তারাকান্দায় দুই ছাত্রীর নিখোঁজের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন যুবক আটক

তারাকান্দায় দুই ছাত্রীর নিখোঁজের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন যুবক আটক




 ময়মনসিংহের তারাকান্দায় মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে দুই ছাত্রীর নিখোঁজের অভিযোগ পাওয়া গেছে ছাত্রীদের চাচা গত ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন যুবককে আটক করেন থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার তারাকান্দা ইউনিয়নের কয়ড়াকান্দা গ্রামের সোহাগ মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া(২০), মধুপুর গ্রামের হেলাল মিয়ার ছেলে শরিফুল(২১) এবং বানিহালা ইউনিয়নের রনকান্দা গ্রামের নূরুজ্জামানের ছেলে রতন মিয়া(২০)।



জানা গেছে, বৃহস্পতিবার উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের গোয়াতলা শশার বাজার এলাকার স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়ুয়া ১২/১৩ বছরের ঐ দুই ছাত্রী বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে বের হয়। এরপর থেকেই তারা নিখোঁজ হলে আত্নীয়স্বজনদের বাড়ীতে খোঁজ নিয়েও তাদের কোথাও পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় তারাকান্দা থানায় ঐ দুই ছাত্রীর চাচা মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। থানায় ডায়েরি করার পর তিন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ।
ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি আটক তিন যুবকের মধ্যে একজনের সাথে নিখোঁজ ঐ ছাত্রীদের একজনের প্রেমের সম্পর্কের কারণে এই নিখোঁজের ঘটনাটি ঘটেছে।

এ বিষয়ে তারাকান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বিকে জানান, নিখোঁজ ওই দুই ছাত্রীর বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। এসআই রায়হানুর রহমানকে বিষয়টির দায়িত্ব দিলে তদন্তের স্বার্থে তিন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশী হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের কে জিজ্ঞাবাদ অব্যাহত রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঐ দুই ছাত্রীর কোন সন্ধান পায়নি পুলিশ। যুবকরা থানা হেফাজতে ছিল।



বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩

তারাকান্দায় নারীর মরদেহ উদ্ধার

তারাকান্দায় নারীর মরদেহ উদ্ধার

 



তারাকান্দায় নারীর মরদেহ উদ্ধার


ময়মনসিংহের তারাকান্দায় পুনিশ হেনা (৩৭) নামেএক নারীর (৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে।

সোমবার ( ডিসেম্বর) রাত ১০ টার দিকে ময়মনসিংহ- হালুয়াঘাট সড়কে উপজেলার কাকনী এলাকার স্বপ্না ইটখলার সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত সড়ক দিয়ে হেটেk. যাওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি মাইক্রোবাস তাঁকে চাপা দিলে তিনি মারা যান।

মরদেহটি দেখতে পেয়ে তারাকান্দা থানা পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত মরদেহে উদ্ধার করেন।

পুলিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তার পরিচয সনাক্ত করেন। পুনিশ জানান, নিহত নারী হেনা (৩৭)নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার মল্লিকপুর শৃনই মেঘারকান্দা গ্রামের হাছেন আলীর কন্যা।

তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহান রিপোর্ট করে মযমনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পেরণ করেছে।

বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩

যুদ্ধ আলাদা করে দিল গাজার নবদম্পতিকে

যুদ্ধ আলাদা করে দিল গাজার নবদম্পতিকে

 


স্ত্রী জর্ডানের নাগরিক, আর স্বামী ফিলিস্তিনি। কিছুদিন আগেই বিয়ে হয়েছে তাদের। তবে গাজায় ইসরাইলের চলমান হামলার জেরে তাদের আলাদা হয়ে যেতে হয়েছে। স্ত্রী রাফাহ সীমান্ত পাড়ি দিতে পারলেও স্বামী অনুমতি পাননি।

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাত শুরুর পর গতকাল বুধবার প্রথমবারের মতো বেসামরিক ব্যক্তিদের জন্য রাফাহ ক্রসিং খুলে দেয় মিসর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আলজাজিরার আরবি ভাষার সংস্করণের কর্মীরা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। এতে দেখা গেছে, রাফাহ সীমান্তে আলাদা হয়ে যাওয়ার সময় এই নবদম্পতি কাঁদতে কাঁদতে একে-অপরকে জড়িয়ে ধরে বিদায় জানাচ্ছেন।

এর আগে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জর্ডানি স্ত্রীকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে মিসরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর তার ফিলিস্তিনি স্বামীকে গাজাতেই থেকে যেতে হবে।

সংক্ষিপ্ত এক সাক্ষাৎকারে ওই ব্যক্তি বলেন, তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে রাফাহ সীমান্তে গিয়েছিলেন। স্ত্রী যেন নিরাপদে সীমান্ত পার হতে পারেন, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন তিনি।

ফিলিস্তিনি এই নাগরিক আক্ষেপ করে বলেন, আমার একমাত্র অপরাধ হলো আমি ফিলিস্তিনি।

গাজার দক্ষিণে রাফাহ ক্রসিং অবস্থিত। গাজা ও মিসরের মধ্যকার একমাত্র সীমান্ত পারাপার পয়েন্ট এটি। ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাত শুরুর পর রাফাহ ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছিল মিসর। গতকাল বুধবার তা খুলে দেওয়া হয়।

এরপর থেকে চার শতাধিক ব্যক্তি ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ত্যাগ করেছেন। ফিলিস্তিনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৩৫ জন বিদেশি পাসপোর্টধারী রয়েছেন। এছাড়া ৭৬ জন আহত ফিলিস্তিনি রাফাহ ক্রসিং পার হয়েছেন।


তালাবদ্ধ বিএনপি কার্যালয়ের গেটের চেয়ারে সংলাপের চিঠি দিলো ইসি

তালাবদ্ধ বিএনপি কার্যালয়ের গেটের চেয়ারে সংলাপের চিঠি দিলো ইসি

 


তালাবদ্ধ বিএনপি কার্যালয়ের গেটের চেয়ারে সংলাপের চিঠি রেখে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) এ চিঠি রেখে আসে নির্বাচন কমিশনের অফিস সহকারী মো. মহসিন। গত ২৮ অক্টোবর ক্রইম সিন চিহ্নিত করে বিএনপি অফিস বন্ধ করে রেখেছে পুলিশ। এজন্য বিএনপির পক্ষ থেকে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 
 
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে অফিস সহকারী মো. মহসিন নির্বাচন কমিশনের একটি চিঠি নিয়ে বিএনপির কার্যালয়ে যান। বিএনপি অফিস তালাবদ্ধ থাকায় সেখানে কাউকে না পেয়ে নাজিম নামের এক পথচারীকে সাক্ষী রেখে কার্যালয়ের গেটের ভেতরে চেয়ারের ওপর চিঠিটি রেখে যান।

ইসি সূত্র বলছে, বৃহস্পতিবার সকালে কমিশনের এক কর্মকর্তার মাধ্যমে চিঠিটি পাঠানো হয় বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকেন ইসির ওই কর্মকর্তা। 



ধান মাড়াই করছিলেন বাবা-মা, লরির চাকায় পিষ্ট শিশু

ধান মাড়াই করছিলেন বাবা-মা, লরির চাকায় পিষ্ট শিশু

 



ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে পাঁচ বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বন্দেরবাড়ি গ্রামের কাঁচা রাস্তায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত শিশুর নাম আলিফ। সে উপজেলার কৈচাপুর ইউনিয়নের বড়দাসপাড়া গ্রামের চা বিক্রেতা আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে। 



স্থানীয়রা জানায়, নিহত শিশুর বাবা-মা বাড়ির সামনে আমন ধান মাড়ানোর কাজ করছিলেন। নিহত আলিফ অন্য শিশুদের সঙ্গে রাস্তার পাশে রাখা ধানের খড়ের স্তুপে খেলা করছিল। এসময় শিশুটি হঠাৎ করেই লরির চাকার নিচে পড়ে যায়। পড়ে স্থানীয়রা দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনার পর লরিটির চালক পালিয়ে যায়। কিন্তু লরিটি থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। 

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র রায় বলেন, শিশুটির লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৩

শ্রীপুরে কারখানা কর্মকর্তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

শ্রীপুরে কারখানা কর্মকর্তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

 


গাজীপুরের শ্রীপুরে সাদ-সান টেক্সটাইল কারখানার উৎপাদন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ শুভর (২৬) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

সোমবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার মাওনা উত্তরপাড়া গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ভাড়া বাসা থেকে ওই কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়। শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) সুজন কুমার পন্ডিত লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কারখানার কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ শুভ  চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালমারি গ্রামের মৃত রেজাউল করিমের ছেলে। সে মাওনা উত্তরপাড়া গ্রামের রমিজ উদ্দিন খানের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় সাদ-সান টেক্সটাইল চাকরি করতেন।

নিহতের স্ত্রী শোভা বলেন, আমার স্বামী তার কর্মস্থল থেকে নিয়মিত বেতন পেতো না। তাছাড়া যে বেতন পেতো তা দিয়ে সংসারে অভাব লেগেই থাকতো। এসব টেনশনে সে প্রায়ই চিন্তিত থাকতো এবং বলতো অনিয়মিত বেতনে চাকরি করতে ইচ্ছে করে না। যেদিক চোখ যাই সেদিকে চলে যেতে ইচ্ছে করে। এসব টেনশন মাথায় না নেওয়ার জন্য তাকে প্রায়ই বুঝাতাম।

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০  টায় অফিস থেকে বাসায় ফিরে রাতের খাবার খাওয়ার সময় এসব বিষয়ে আমার সাথে শেয়ার করতেছিল। আমি ওয়াশরুমে গেলে সে বাহির থেকে ওয়াশরুমের দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে তার স্ত্রী শোভা ডাকাডাকি করার পর সাড়াশব্দ না পেয়ে ওয়াশ রুমের ভেন্টিলেটরের কাছে গিয়ে চিৎকার চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙে শুভর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। তারা ওয়াশরুমের দরজার সিটকানি বাহির থেকে খুলে দিলে শোভা বের হয়ে তার স্বামীকে ফাসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

নিহতের মামা জিয়াউর রহমান বলেন, শুভ এবং আমি একই কারখানায় চাকরি করি। রাত আনুমানিক ১২ টার দিকে তার স্ত্রী শোভা আমাকে ফোন করে জানায় শুভ আত্মহত্যা করেছে। পরে তাদের বাসায় গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে শুভকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) সুজন কুমার পন্ডিত বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩

দেশে তালাকের হার গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

দেশে তালাকের হার গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

 


অনলাইন ডেস্ক:  দেশে বর্তমানে তালাকের হার গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর বছরের ব্যবধানে তালাকের হার বেড়েছে দ্বিগুণ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২২ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (১৩ জুন) রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ভবনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিবিএস। প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (চলতি দায়িত্ব) মহাপরিচালক পরিমল চন্দ্র বসু।

বিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে দেশে প্রতি হাজারে তালাকের হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৪ শতাংশ, যা আগের বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালে ছিল শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। আর ২০২০ সালে ছিল শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছিল শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালে শহরের তুলনায় গ্রামে তালাকের হার বেশি। শহরে ২০২২ সালে প্রতি হাজারে তালাকের হার ১ শতাংশ এবং গ্রামে ১ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০২১ সালে এই হার ছিল গ্রামে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ এবং শহরে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর শোকে বোনের আত্মহত্যা

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর শোকে বোনের আত্মহত্যা



 অনলাইন ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের ভৈরবের ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে নাজা বেগম (১৮) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। গত সোমবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে বিকেলে পানিতে ডুবে মারা যায় তার ছোট ভাই নিরব মোল্লা।

স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বিকেলে নিরব মোল্লা ফুটবল খেলতে বাড়ির পাশে মাঠে যায়। খেলার সময় ফুটবলটি পাশের জলাশয়ে পড়ে গেলে নিরব সেটি তুলে আনতে জলাশয়ে নামে। এ সময় সে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় শোক সইতে না পেরে বড় বোন নাজা বেগম বাড়ির তিন তলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধোর করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। এরপর ঢাকায় আনার পথে নারায়ণগঞ্জের ভুলতার কাছাকাছি এল মৃত্যর কোলে ঢলে পড়ে নাজা বেগম।

নিরম মোল্লা ও নাজা বেগম ভৈরবের পৌর এলাকার চন্ডীবের গ্রামের মোল্লা বাড়ির বাছির মিয়া সন্তান। তাদের মধ্যে নিরব স্থানীয় ব্লু-বার্ড কিন্ডারগার্টেন এর ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল আর নাজা বেগম ভৈরব রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

নিরবের চাচা নাছির মোল্লা বলেন, ‘আমার ভাতিজা পানিতে ডুবে মারা যায়। এ খবর পেয়ে ভাতিজি আত্মহত্যা করে। বিষয়টি খুবই বেদনাদায়ক।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। কেউ মারা গেলে চিকিৎসকরা তাকে জীবিত করতে পারবে না।

তিনি অভিযোগ করেন, নিহতের স্বজনরা চিকিৎসকসহ চারজনকে মারধর করে আহত করেছেন। ইতোমধ্যে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২৩

সীতাকুণ্ডের আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিচ্ছে বিজিবিও

সীতাকুণ্ডের আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিচ্ছে বিজিবিও



 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে তুলার গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনীর চারটি, নৌবাহিনীর চারটি, বিমানবাহিনীর দুটি এবং ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট। এর পাশাপাশি এখন আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিচ্ছে বিজিবির চারটি ফায়ার ফাইটিং এবং সম্প্রতি তুরস্কে ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধারকার্যে অংশ নেওয়া সেনাবাহিনীর বিশেষ উদ্ধারকারী টিম ইউএসএআর।

শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ছোট কুমিরা নেমসন ডিপোর পাশে এসএল গ্রুপের মালিকানাধীন ইউনিটেক্স গ্রুপের ভাড়ায় নেওয়া একটি তুলার গোডাউনে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে এ দুর্ঘটনায় এখনো হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জেলা প্রশাসন জানায়, সপ্তাহখানেক ধরে এসএল গ্রুপের গোডাউনটিতে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওয়েল্ডিংয়ের আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান। এরপর তিনি ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

কমিটিতে চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক বদিউল আলমকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ডিআইজি, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিটিএমসির প্রতিনিধি, বিস্ফোরক পরিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং বিটিএমইএর প্রতিনিধিকে সদস্য করা হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার (৪ মার্চ) সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কদমরসুল কেশবপুর এলাকায় সীমা অক্সিজেন লিমিটেড নামে কারখানায় বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে সাতজন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় সোমবার রাতে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

জানা গেছে, গত বছরের ৪ জুন রাতে সীতাকুণ্ডের কদমরসুল এলাকায় অবস্থিত বিএম ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুন লাগার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এরপর টানা ৮৬ ঘণ্টা আগুন জ্বলতে থাকে। একপর্যায়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই দুর্ঘটনায় আশপাশে থাকা ফায়ার সার্ভিসকর্মী ও শ্রমিকসহ ৫১ জন নিহত হন। এছাড়া আহত হন প্রায় দুই শতাধিক। পাশাপাশি ১৫৬টি আমদানি-রপ্তানি কনটেইনার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

‘কয়েক সেকেন্ডেই ধসে পড়ে পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের ছাদ’

‘কয়েক সেকেন্ডেই ধসে পড়ে পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের ছাদ’



 ‘মাত্র ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডেই সাভারের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের ধসে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদটি ধসে পড়ে। কেউ বুঝে ওঠার আগেই বিষয়টি ঘটে যায়।’ 

শনিবার (১১ মার্চ) গাজীপুরের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজি বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সেখানকার নির্মাণশ্রমিক মো. খাইরুল ইসলাম (২৭) রাইজিংবিডির কাছে জানিয়েছেন সেই ঘটনার কথা।

মো. খাইরুল ইসলাম জানান, পাঁচ দিন আগে ওই ভবনের নির্মাণকাজে যোগ দেন তিনি। শুক্রবার সারাদিনই ভবনের নির্মাণকাজে ছিলেন। বিকেলের দিকে চলছিল দশম তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ। সেখানে কাজ করছিলেন ৩০-৪০ জন শ্রমিক।

এরিমধ্যে ৪টার দিকে হঠাৎ ছাদের তিন ভাগের দুই ভাগ ধসে পড়ে। এতে ২০-২৫ জন শ্রমিক দশম তলার নির্মাণাধীন ছাদ থেকে নবম তলায় ছিটকে পড়েন। সেখানেই ছিলেন খাইরুল নিজেও। এতে অনেকের সঙ্গে তিনি আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে-সহ অন্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ৫০৪ নম্বর কক্ষে চিকিৎসা নিচ্ছেন খাইরুল। তার ডান চোখের ওপরের অংশ কেটে যাওয়ায় ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। ডান হাত ও ডান পায়ের বিভিন্ন অংশে জখম হয়েছে। এছাড়া আরেক আহত ইয়াকুব আলী চিকিৎসা নিচ্ছেন ৫০৬ নম্বর কক্ষে। শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়েছেন তিনি।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে খাইরুল ইসলাম বলেন, পুরো ঘটনাটি মাত্র ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের মধ্যে ঘটে যায়। সেন্টারিংয়ে সমস্যার কারণে ঘটনাটি ঘটেছে।

আহত ইয়াকুব আলী বলেন, পাঁচ মাস আগে মিস্ত্রি হিসেবে ভবনে কাজে যোগ দেন তিনি। শুক্রবার ছাদ ঢালাইয়ের সময় ঢালাই সমান করার কাজ করছিলেন তিনি। ছাদের যে অংশে তিনি কাজ করছিলেন, ঠিক সে অংশটিই ধসে পড়ে।

এই শ্রমিক বলেন, আমাদের সবার পায়ে বুট ও মাথায় নিরাপত্তা হেলমেট থাকায় গুরুতর আহত হওয়ার হাত থেকে বেঁচে গেছি। ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমাদের চিকিৎসা-ব্যয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্টার লাইট থেকে বহন করা হচ্ছে।

এদিকে, সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গনকবাড়িতে অবস্থিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন ওই ভবনে গিয়ে দেখা যায়, ছাদ ধসে পড়া ভবনের সামনে অলস বসে আছেন কয়েকজন শ্রমিক। ধসে যাওয়া সেই ছাদ পড়ে আছে একইভাবে। সেখানে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়নি।

বেলা ১১টার দিকে ধসে পড়া ভবনটি পরিদর্শনে আসেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

ভবনের নির্মাণকাজে গাফিলতি ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া এতে কার কার সম্পৃক্ততা আছে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

এসময় তার সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জিয়াউল হাসান, পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক দেবাশীষ পাল, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্পের পরিচালক মো. মঞ্জুর আহসান।

শুক্রবার (১০ মার্চ) বিকেলে ভবনটির ১০ তলা নির্মাণাধীন ছাদ ধসে যায়। এতে একজন গুরুতরসহ প্রায় ১৫ জন শ্রমিক আহত হন।