কুমিল্লায় পরকীয়া প্রেমের বিরোধের জের ধরে আনোয়ারা বেগম নামে এক নারীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এরপর ক্ষতবিক্ষত লাশ বস্তায় ভরে দাউদকান্দি উপজেলার মালিখিল এলাকায় একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরকীয়া প্রেমিক মো. কানু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তিনি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ধনপুরের সেকান্দার আলীর ছেলে।
নিহত আনোয়ারা বেগম একই উপজেলার গোবিন্দপুরের আলী আশরাফের মেয়ে। তিনি দুই সন্তান নিয়ে নগরীর শাকতলা এলাকায় বসবাস করতেন।
ক্লু-লেস এ হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উন্মোচন করেছে র্যাব। গত রোববার সকালে দাউদকান্দির মালিখিল গ্রাম থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, ওই নারীর সঙ্গে কানু মিয়ার দেড় বছরের বেশি সময় ধরে পরকীয়া চলছিল। তিনি প্রেমিকাকে আর্থিক সহায়তা ও ভরণ-পোষণ দিচ্ছিলেন। এরই মধ্যে কানু মিয়া জানতে পারেন যে- তিনি ছাড়াও ঐ নারীর আরো একাধিক লোকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এতে আনোয়ারার প্রতি তার মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে কানু মিয়া জানিয়েছেন, গত শনিবার দুপুরে কানুর দোকানে গিয়ে আনোয়ারা নিজের বিভিন্ন আর্থিক চাহিদার কথা বলেন। এরপর কানু মিয়া তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কানু মিয়া তার দোকানের ফার্নিচার তৈরির কাজে ব্যবহৃত ‘বাটাল’ দিয়ে প্রথমে আনোয়ারার পেটে আঘাত করেন। এরপর গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরবর্তীতে কৌশলে লাশ বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেন।
ডেইলি বাংলাদেশ
0 coment rios:
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য