রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

আদালত চত্বরে ধর্ষকের সঙ্গে ভুক্তভোগীর বিয়ে

 


ঝালকাঠির আদালত চত্বরে ধর্ষণ মামলার আসামির সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীর বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর আসামি বর নাঈম সরদারকে জামিন দেন অবকাশকালীন জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ।

রোববার দুপুরে উভয়পক্ষের উপস্থিতে বিয়ে পড়ান কাজী মাওলানা মো. সৈয়দ বশির। নাঈম বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগাতি গ্রামের আনোয়ার সরদারের ছেলে। ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি ঝালকাঠির বালিঘোনা গ্রামে।

বিয়ের পর নবদম্পতিকে মিষ্টি মুখ করান আদালতের কর্মচারীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পিপি আবদুল মান্নান রসুল।

তিনি জানান, ভুক্তভোগী তরুণী ৮ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তাকে জোর করে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে একটি মামলা করেন। বিচারক তার অভিযোগটি ঝালকাঠি থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ডের নির্দেশ দেন। পরে ১২ নভেম্বর ঝালকাঠি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯ (১) ধারায় এফআইআর রেকর্ড হয়। এরপর ১৩ নভেম্বর ছেলেকে ঝালকাঠি থানায় সোপর্দ করেন আসামি নাঈমের বাবা আনোয়ার হোসেন।

রোববার অবকাশকালীন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল। এ সময় ভুক্তভোগীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন আসামিপক্ষ। এতে বাদীপক্ষ রাজি হলে বিচারক মো. শহিদুল্লাহ আদালত চত্বরেই পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের নির্দেশ দেন। পরে আদালত চত্বরেই তাদের বিয়ে হয়।

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালতে কাগজপত্র জমা দিলে শুনানি শেষে ২০ হাজার টাকা বন্ডে আসামির জামিন মঞ্জুর করে আদালত।

বর নাঈম পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান এবং কনে দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। ২০১৯ সালের প্রথম দিকে তাদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় এবং প্রেম হয়। ঘটনার দিন অর্থাৎ চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ১০টায় ভুক্তভোগীর বাড়ির পেছনের বাগানে মোবাইলে ডেকে এনে প্রেমিকাকে ধর্ষণ করে নাঈম।


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য