বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০

যে কারণে মে’য়েকে নিয়ে কবরে ঘুমান বাবা! জানলে অ’বাক হবেন


সন্তান প্রতিটি বাবা-মায়ের জন্যই সৃষ্টিক’র্তার শ্রেষ্ঠ দান। সন্তানের মুখে বাবা ডাক শোনা প্রত্যেক পিতার জন্যই সবচেয়ে সুখের এবং আনন্দের মুহূর্ত। সন্তান পৃথিবীতে আসা মানেই বাবার জীবন সম্পূর্ণ বদলে যাওয়া।একজন বাবা ও মে’য়ের মধ্যে স’ম্পর্কটা হয় একদম আলাদা। তাদের মধ্যে অটুট ভালোবাসা থাকে। গড়ে ওঠে বিশ্বা’সের স’ম্পর্ক। মে’য়ের যত বায়না বা আবদার সব বাবার কাছেই থাকে।
আর বাবা থাকে মে’য়ের ইচ্ছা পূরণের দৈত্য। কারণ একজন বাবাই তার মেয়েকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।মৃ’ত্যু প্রত্যেকের জন্যই ক’ষ্টের। আপনজনকে হা’রানোর বেদনাও অধিক। আর যদি আগে থেকেই জানা যায়, তার সব থেকে প্রিয় মানুষটি তাকে ছেড়ে চিরদিনের জন্য চলে যাবে। তবে তা মেনে নেয়া ভীষণ ক’ষ্টের। ভেবে দেখু’ন, যদি একজন বাবা তার মেয়ের মৃ’ত্যুর সময় আগে
থেকেই জানে তাহলে তার মনের কি অবস্থা হবে?চীনের সিচুয়ান প্রদেশের ঝাঙ্গ ঝিনলেই গ্রামের কৃষক লিয়াং। তার একটি দুই বছরের ছোট মে’য়ে আছে। যাকে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। মে’য়েটি থ্যালাসেমিয়ায় আ’ক্রান্ত। ডাক্তার বলেছেন, মে’য়েটি বেশিদিন বাঁচবে না। সেই থেকে লিয়াং মে’য়েকে নিয়ে প্রতিদিন কবরে ঘুমান এবং তার সঙ্গে সেখানেই খেলাধুলা করেন।এমন না যে লিয়াং-এর থাকার কোনো
ঘর নেই। তবুও সে মে’য়েকে নিয়ে কবরেই ঘুমায়। এভাবে প্রতিদিন বাবা তার মে’য়েকে কবরস্থানে বেঁচে থাকা শেখায়। বাবা হিসেবে এই কাজটি করা তার জন্যে অনেক ক’ষ্টের। তারপরও সে এই কাজটি করে। যাতে নিজেও মে’য়ের ক’ষ্টের ভাগীদার হতে পারেন।মে’য়েটি গত এক বছর ধরে লিয়াং-এর সঙ্গে কবরে বাস করা শিখছে। এটি একজন বাবার জন্য খুব যন্ত্র’ণাদায়ক মুহূর্ত।
শি’শুটির চিকিৎসাকরা বলেছেন, মে’য়েটির র’ক্তের কোষ সঠিকভাবে কাজ করছে না। আরও জানান, এই ধরনের অবস্থায় মে’য়েটি সর্বোচ্চ এক বছর বেঁচে থাকবে।এমন অনেক রোগ আছে যার কোনো চিকিৎসা হয় না। যতই টাকা-পয়সা থাক না কেন সেইসব রোগগ্রস্ত রোগীকে বাঁ’চানো মুশকিল হয়। আমাদের দেশেও প্রতিদিন অনেক মানুষ মা’রা যান দুরারোগ্য ব্যাধিতে আ’ক্রান্ত হয়ে। চীনেও এর ব্যতিক্রম নয়।

শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য