শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০

মানবতার এ মুমূর্ষু চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে চাঁদাবাজী সহ বিভিন্ন অপকর্মের অবিযোগ।



পাবনা জেলার ফরিদপুর থানার ডেমরা ইউনিয়নের সার্বিক পরিস্থিতি জানার জন্য গোলাম নবীকে(৩৫) মুঠো ফোনে কল দিলে মারামারির কথা বলে জানায় মোঃরিপন হোসেনকে(৩৬) গ্রেফতার করা হয়।ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় সকল ঘটনা হয়েছে ঘি-ব্যবসাকে কেন্দ্র করে।

৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃরশিদ হোসেন(৩৮) এক ঘি-ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ভেজাল ঘি- বলে রাস্তার উপরে গাড়ী আটকিয়ে চাঁদা হিসাবে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা নিয়েছে।

এই ঘি-ব্যবসায়ী জনাব মোঃআকমল হোসেন(৩৪)পিতাঃইসমাইল হোসেন গ্রামঃরুপসী থানাঃসাথিয়া পাবনা।
১৪/০৪/২০ ইং তারিখে ফরিদপুর থানাতে একটা সাধারণ ডায়েরী করা হয়।ঘটনা তদন্ত করার জন্য ১৫ই এপ্রিল চাটমোহরের সার্কেল অফিসার ও থানার ওসি সহ ঘটনা তদন্ত করে এবং ডেমরা ইউনিয়নের জনাব মোঃরিপন হোসেন প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য থানাতে নিয়ে যাওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় তিনি স্বীকারউক্তি করেন রাত্রে রশিদ মেম্বার জোড় পূর্বক ১ লক্ষ টাকা নেয় এবং ২য় বার রিপনের হাতে ৮০ হাজার টাকা প্রদান করে মোঃআকমল হোসেন।
রিপনের কথা অনুযায়ী রশিদ মেম্বারের কাছে যাওয়াতে মেম্বারকে বাসাতে পাওয়া যায় না কিন্তু মেম্বারের ছোট ভাই মোঃমেহেদী হাসানের কথা অনুযায়ী সকল কিছু ডেমরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানেন বলেছে।
ডেমরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃমাহফুজুর রহমানকে তার অফিসে না পাওয়ার কারণে বাসাতে যাওয়া হয় এবং তার নিজ বাসাতে পাওয়া যায় না।
চেয়ারম্যানের স্ত্রী জানান কোথায় আছে জানি না।
চেয়ারম্যানের সকল নাম্বারি বন্ধ আছে।
এই ভাবেই আরো একজন ঘি-ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গত ৪ মাস এ ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে চেয়ারম্যান জনাব মোঃমাহফুজুর রহমান সহ তার সহযোগীরা।
এই সকল কিছু জানিয়েছেন একভুক্ত ভুগি এক গাড়ি চালক মোঃরফিকুল ইসলাম(৩২)
পিতাঃমৃত্য হাবি
গ্রামঃডেমরা ০৬ নং ওয়ার্ড।
গরিব দুঃখী মানুষের মাঝে ভিজিডি কার্ড সূলভমূল্যের কার্ড বিতরণ না করে ধনি মানুষের মাঝে বিতরণ করেছেন এবং পিতা পুত্র ও পুত্রবধূর নামে একই পরিবারে অঅন্তভূক্ত থাকা অবস্থায় ভিজিডি কার্ড সুলভ মূল্যের কার্ড এবং বৃদ্ধ কার্ড দেওয়া হয়েছে।
এক পরিবারেই তিন প্রকারের কার্ড দেওয়া হয়।
নিয়ম ছাড়া অনিয়ম ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এই চেয়ারম্যা।চেয়ারম্যান জানান আমি সকল সাংবাদিকদের পকেটে ভরে রাখি এই মন্তব্য করেন।
নিজের ক্ষমতার দাপটে মানুষকে চিনতে ভুলে গিয়েছেন।
বাংলাদেশের এই সার্বিক দুর্যোগের মাঝেই চাঁদাবাজীর প্রভাব বিস্তার করছেন এই অনিয়ম তান্ত্রিক চেয়ারম্যান।
তাহার অফিসে বজ্ঞবন্ধু ও দেশনেত্রী শেখ হাসিনার একই মালায় গাঁথা ছবি পাওয়া যায়।
সকল ব্যবসায়ী জানিয়েছে ব্যবসা করতে হইলে চাঁদা দিয়ে করলে আমাদের ব্যবসা এক সময় বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং আমাদের ঘি এর সুনাম সকল জেলাতেই আছে।
সুত্র online  


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য