“সচেতন চাষী, সমৃদ্ধ কৃষি ” এই শ্লোগানে সামনে রেখে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় নকল ও ভেজাল কৃষি পণ্যের ক্ষতি বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানাযায়,(২৭সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার মধুমন কমিউনিটি সেন্টা'র মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের আয়োজনে সিনজেনটা কোম্পানির সহযোগিতায় এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার রাকিব আল-রানা'র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন , সিনজেনটা কোম্পানির কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল হক কাউছার আহম্মদ খান, তারাকান্দা বণিক সমিতির সভাপতি , মোহাম্মদ নূরুজ্জামান সরকার বকুল উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের সুবিধাভোগী পক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সিনজেনটা কোম্পানির রিজনাল ম্যানেজার কামাল হুসেন নকল ও ভেজাল কৃষি পণ্যের ক্ষতি বিষয়ে মাল্টিমিডিয়া স্লাইড উপস্থাপন করেন।
স্লাইড থেকে কৃষক ও কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নকল ও ভেজাল কৃষি পণ্যের ক্ষতির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারেন।
অনুষ্ঠানে একাধিক কৃষক অভিমত প্রকাশ করেন যে, ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে উপজেলা পর্যায়ে অনেকেই দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিরা নকল ও ভেজাল কৃষি পণ্য প্রতিরোধে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। বক্তারা বলেন, ফসলে সার-কীটনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্খিত উপকার পাচ্ছেন না চাষিরা। অনেক ক্ষেত্রে উল্টো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষিরা। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।
কৃষকদের অভিযোগ, আকর্ষণীয় মোড়কে বাজারে বিক্রি হচ্ছে হরেক রকমের ভেজাল কীটনাশক, দামও বেশি। প্যাকেটের গায়ের দামেই কৃষকরা কিনছেন এসব কীটনাশক। এরপর ফসলে ব্যবহার করে ফল মিলছে শূন্য। সারের বেলায়ও একই অবস্থা।
এছাড়াও অনেক সময় দোকানিরা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কোম্পানির কাছে ফেরত না দিয়ে বা নষ্ট না করে কৃষকের কাছে বিক্রি করছেন। কৃষক সরল বিশ্বাসে তা নিয়ে ক্ষেতে ব্যবহার করছেন। পরে দেখা যাচ্ছে ওই ওষুধে উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি হচ্ছে বেশি। ওই সকল ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিপণ্য বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি সকলকে সচেতনও হতে হবে।

0 coment rios:
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য