পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সুজন আহম্মেদ নামে এক যুবক খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল (১৫ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার রাতে ধামরাই উপজেলার বাটুলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সুজন উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের লাড়ুয়াকুন্ড এলাকার মো. সোনা মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রবাসীর স্ত্রী সামিয়া আক্তারের সঙ্গে পোল্ট্রি খামারি সুজন আহম্মেদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এলাকায় এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন মহল দীর্ঘ দিন ধরে কানাঘুষা করছিল। বিষয়টি নিয়ে সামিয়ার পরিবার সুজনের ওপর ব্যাপক রাগান্বিত ছিল।
সুজন ভাড়ায়চালিত একটি মোটরসাইকেলে প্রেমিকা সামিয়া আক্তারের সঙ্গে দেখা করতে তার বাবার বাড়ি যায়। এ সময় সামিয়া আক্তারের বাড়ির লোকজন সুজনকে আটক করে ব্যাপক নির্যাতন করে। নির্যাতনের একপর্যায়ে সুজনের মৃত্যু হয়। ঘটনা ধামাচাপা দিতে লাশ বাড়ির পাশে ফেলে দিতে গেলে স্থানীয় লোকজন দেখে ফেলেন।
এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে আজ (১৫ অক্টোবর) শুক্রবার সকালে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক মো. বদিউজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। হত্যায় জড়িত সন্দেহে সামিয়া আক্তার, তার মা আয়েশা বেগম, বাবা মো. আব্দুস সামাদ ও মোটরবাইকচালক মো. আবুল হাসেমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মামুন বলেন, সুজন মোটরসাইকেলে চেপে সামিয়াদের বাড়ি আসে। পরবর্তীতে তাদের বাড়ি থেকে চিৎকারের শব্দ শোনা যায়। কিন্তু আমরা গিয়ে দেখি সুনসান নীরবতা। এরপর বাড়ির লোকজনদের মাদুরে মুড়িয়ে একটি লাশের মতো বস্তু নিয়ে যেতে দেখি।
ঘটনার বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক মো. বদিউজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করি। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসবাদ চলছে।
সূত্র:deshergarjan
0 coment rios:
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য