মোঃ আনোয়ার হোসেন, তারাকান্দা প্রতিনিধি:
“বেশী বেশী মাছ চাষ করি-বেকারত্ব দূর করি”এই স্লোগানকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের তারাকান্দায় শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২১।এই উপলক্ষ্যে তারাকান্দা উপজেলা মৎস্য দপ্তরে আয়োজনে থাকছে সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচী।
তারই ধারাবাহিকতায় ২৮ আগষ্ট শনিবার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তারাকান্দা উপজেলা মৎস্য অফিসার শাহানা নাজনীন।নিজ দপ্তরে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় শাহানা নাজনীন এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,না জেনে মৎস্য চাষে অত্যধিক পরিমাণে ঔষধ প্রয়োগ করা মৎস্য চাষের জন্য কখনো সুফল বয়ে আনতে পারেনা।আমি মৎস্য চাষী যারা আছেন তাদেরকে বলবো না জেনে মৎস্য চাষে অত্যধিক মাত্রায় ঔষধ প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকুন।
এ সময় তিনি আরও বলেন,বাজারে যেসব ঔষধ মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে সকল রোগে কার্যকর বলে দোকানে দোকানে বিক্রয় হচ্ছে,তা আসলে মৎস্য চাষের জন্য সাপোর্টেড কোন ঔষধ নয়।এন্টিবায়োটিক নামের ঔষধগুলোকেও যাচাই করে ব্যবহার করতে পরামর্শ দেন তিনি।একই সাথে খাবার ক্রয়ের জন্য চাষী ভাইদের যে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি তা হলো প্রচলিত এবং পরিচিত ভালো কোম্পানীর খাদ্য কিনতে হবে।যে খাদ্যের প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদ উর্ত্তীর্ণের তারিখ থাকবে এবং প্রোটিনের মাত্রা শতকরা
৩০/৪০ ভাগ লেখা থাকবে সেই খাদ্য কিনতে হবে।নতুন অপরিচিত এবং কমদামী মেয়াদহীন খাদ্য কেনা এবং মৎস্য চাষে ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
মতবিনিময়কালে তারাকান্দা উপজেলা সহকারী মৎস্য অফিসার আবু-বক্কর সিদ্দিক জানান,মৎস্য চাষে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ।২০২০-২০২১
অর্থবছরে বাংলাদেশে মৎস্য চাষে মোট উৎপাদন ছিল ৪৪.৭৭ লক্ষ মেট্রিকটন।একই অর্থবছরে তারাকান্দায় মোট উৎপাদন হয়েছে ২৭ হাজার ৩৭ মেট্রিকটন।২০১৯-২০২০
অর্থবছরে এই উৎপাদন ছিল ২৬ হাজার ৩ শত ৮৮ দশমিক ৪৩ মেট্রিকটন।করোনা কালীন এই সময়েও বিগত অর্থবছরের তুলনায় তারাকান্দায় ৬৪৯
মেট্রিকটন মাছ বেশী উৎপাদিত হয়েছে।তিনি আরও জানান,ময়মনসিংহ জেলায় এই অর্থবছরে আনুমানিক ৪৫ হাজার মেট্রিকটন মাছ উৎপাদিত হয়েছে।তারমধ্যে তারাকান্দায় মোট উৎপাদন হয়েছে ২৭ হাজার ৩৭ মেট্রিকটন।
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তারাকান্দা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।


0 coment rios:
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য