নদীতে বাবার সঙ্গে শুক্রবার সকালে মাছ ধরতে গিয়েছিল ১০ বছর বয়সী এক কন্যা। বৃষ্টি শুরু হলে বাবা তাকে বাড়ির উদ্দেশে পাঠিয়ে দেয়।
বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলেও বাড়িতে ফিরে আসতে পারেনি শিশুটি। দুই ঘণ্টা পর ওড়না দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায় একটি পাটক্ষেতে।
দুর্বৃত্তের হাতে শিশু খুন হওয়ার এ ঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের লোহাজুরী গ্রামে। স্থানীয় লোকজনের ধারণা, দুর্বৃত্তরা শিশুটিকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বাড়ির পাশে বর্ষার পানি টইটম্বুর। বেলা ১১টার দিকে বাবা বাড়ির পাশের নদীতে মাছ ধরতে যাচ্ছিলেন। এই সময় মেয়েটিও বায়না ধরে বাবার সঙ্গে যাওয়ার। বাবা মেয়েকে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিতে ভিজলে অসুখ হতে পারে, এমন কথা বলে বাবা মেয়েকে বাড়িতে চলে যেতে বলে। বাবাকে রেখে শিশুটি বাড়ির দিকে রওনা হয়। বাবা বাড়িতে এসে জানতে পারেন, মেয়ে তখনো বাড়িতে ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পাটক্ষেতে শিশুটির লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় শিশুটির হাত-পা তার ওড়না দিয়ে বাঁধা ছিল।
শিশুটির মামা বলেন, আমার ধারণা, আমার ভাগনি দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হোসেনপুর সার্কেল) মো. সোনাহর আলী জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে ধর্ষণ শেষে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে কিনা।

0 coment rios:
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য