বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১

ফেরিতে উঠে গেলো দুই সন্তানসহ স্বামী, অসহায়ের মতো ছুটছেন স্ত্রী

 



যাত্রীদের হুড়োহুড়িতে দুই সন্তানকে নিয়ে স্বামী ফেরিতে উঠে গেলেও উঠতে পারেননি তামান্না বেগম। মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে বাংলাবাজারের দিকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি ‘কুঞ্জলতা’র দিকে তাকিয়ে ঘাটে অসহায়ের মতো ছুটাছুটি করছেন তিনি। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিমুলিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ চিত্র দেখা যায়।

এদিকে ফেরিতে থাকা নিরুপায় স্বামীর আকুতিও দেখার মতো। ফেরি থেকে বারবার স্ত্রীর দিকে হাত বাড়িয়ে ডাকতে থাকছেন আনিসুর। তবে যেন কিছুই করার নেই। ঘাটের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে বাড়তে দূরে চলে যায় ফেরি। আর অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকেন তামান্না।

কথা হলে তামান্না বেগম জানান, লকডাউনের কারণে স্বামীর সঙ্গে বাগেরহাটে গ্রামের বাড়ি যেতে ঘাটে এসেছিলেন। ফেরি ছাড়ার প্রস্তুতি যখন শেষ তখন যাত্রীদের হুড়োহুড়িতে স্বামী দুই মেয়েকে নিয়ে ফেরিতে উঠতে পারলেও পারেননি তিনি। এরমধ্যেই ছেড়ে দেয় ফেরি। সঙ্গে নেই মোবাইল ফোনও। এখন কী করবেন বুঝতে পারছেন না বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে সহযোগিতা চান।

বৃহস্পতিবার থেকে দেশব্যাপী কঠোর বিধিনিষেধকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়। সকাল থেকে শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ফেরিতে গাদাগাদি করে পার হচ্ছেন যাত্রীরা। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের সুপারিন্টেন্ডেন্ট বশির আহমেদ জানান, লকডাউনকে কেন্দ্র করে ঘাটে মানুষের চাপ রয়েছে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বর্তমানে মোট ১৫টি ফেরি সচল রয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে কার্যক্রমে বেগ পেতে হচ্ছে।


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য