বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১

হিলি স্থলবন্দরে লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ১৯ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায়

 


দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাস জুলাই-ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ কোটি ৩৯ লাখ ৯৩ হাজার টাকা বাড়তি রাজস্ব আয় হয়েছে। এ সময় বন্দর থেকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে গত ৬ মাসে আয় হয়েছে ১৫২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। পুরো অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার বেশি রাজস্ব আয়ের আশা করছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

হিলি স্থল শুল্কস্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দর থেকে এনবিআর রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয় ৩১৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। সেই হিসাবে অর্থবছরের শুরুর মাস জুলাইয়ে বন্দর থেকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আয় হয় ৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা। আগস্টে ১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয় ২০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বরে ৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয় ২০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। অক্টোবরে ১৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয় ১৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। নভেম্বরে ৩১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয় ২৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ডিসেম্বরে ৫২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয় ২২ কোটি ২১ লাখ টাকা।

হিলি স্থল শুল্কস্টেশনের ডেপুটি কমিশনার সাইদুল আলম বলেন, ‘চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব আয় হয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে একমাত্র নিয়মতান্ত্রিকভাবে বন্দরের আমদানি রফতানি-বাণিজ্যসহ বন্দরের সব কার্যক্রম পরিচালনা করার কারণে। সেইসঙ্গে বন্দরের ব্যবসায়ীসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগীতায় এটি সম্ভব হয়েছে। অর্থবছরের শেষ নাগাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে আরও বেশি পরিমাণ রাজস্ব আয় সম্ভব হবে বলে আশা করছি।


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য