বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

স্ত্রীকে খালাতো ভাইয়ের হাতে তুলে দিল স্বামী, রাতভর ধর্ষণ

 



গার্মেন্টসে কাজ করার সুবাদে পরিচয়, এরপর প্রেম। একপর্যায়ে বিয়েও হয়। তবে সম্প্রতি আপন খালাতো ভাইকে দিয়ে নিজের স্ত্রীকে রাতভর ধর্ষণ করিয়েছে স্বামী। এতে আপত্তি তুললে করা হয় বেধড়ক মারধর।

মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় আখড়াপাড়ায়। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার চান্দেরনগর গ্রামে। তিনি গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে কাজ করেন। দেড় বছর আগে নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় আখড়াপাড়া গ্রামের মাহাবুর রহমানের ছেলে মাহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর ভালোবেসে দুজনে বিয়ে করেন। গাজীপুরেই বাসা ভাড়া নিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে থাকছিল মাহিদুল।

সম্প্রতি গাজীপুর থেকে মাহিদুল বাড়ি চলে আসে। মঙ্গলবার রাতে স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে আনার কথা বলে বাঘবেড় গ্রামের বোন জামাই রহুল আমীন বাবুর বাড়িতে তোলে মাহিদুল। সেই বাড়িতে মাহিদুল নিজের স্ত্রীকে একই গ্রামের আপন খালাতো ভাই আবদুল মালেকের হাতে তুলে দেয়।

এরপর রাতভর স্বামী মাহিদুল ও খালাতো ভাই মালেক মিলে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এতে আপত্তি জানালে দুজনই তাকে বেধড়ক মারধর করে। বুধবার ভোরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা গৃহবধূকে উদ্ধার করে।

এদিকে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ ওই এলাকা থেকে আসতে চাইলে অভিযুক্ত মালেকের বাবা ইব্রাহিম তার দোকানে আটকে মীমাংসার কথা বলে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গৃহবধূকে উদ্ধার করে। এছাড়া ইব্রাহিম ও মাবর আলীকে আটক করে। তবে ঘটনার পর পালিয়ে গেছে মাহিদুল ও মালেক।

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য