মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০

কক্সবাজারে ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সেনাবাহিনী



 কক্সবাজারের খুরুশকুলে জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের ফলে গৃহহীন হওয়া তিন হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসনে শতাধিক পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার।

২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ করবে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ শাখার পূর্ত পরিদফতর।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এই নতুন প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে।

জলবায়ু উদ্বাস্তু এবং কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন তিন হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসনসহ জীবিকা নির্বাহের মাধ্যমে জাতীয় দারিদ্র্য হ্রাসকরণের লক্ষ্যে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার খুরুশকুল মৌজায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ’ নামের বিশেষ এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৩৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা। প্রকল্পটি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত এডিপি’র বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা আছে।

প্রকল্পটির প্রধান কাজ গুলোর মধ্যে রয়েছে— ১১৯টি ৫ তলা ভবন নির্মাণ, একটি মসজিদ ও একটি মন্দির নির্মাণ, ২২ দশমিক ৬০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ ও সংযোগ রাস্তা ও ৩৮ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২৮টি সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প স্থাপন, ৮ কিলোমিটার পানির লাইন ও ১৪টি ওভারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার স্থাপন, ৪টি সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং, পুকুর, জেটি নির্মাণ, সাব-স্টেশন এবং সোলার প্যানেল স্থাপন।

জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের মাধ্যমে জাতীয় দারিদ্র্যের হার হ্রাসকরণে অবদান রাখবে বিবেচনায় প্রকল্পটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে জানানো হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের মতামতে বলা হয়েছে, জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনসহ জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় দারিদ্র্যের হার হ্রাসকরণে ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ’ প্রকল্পটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য