বুধবার, ১৩ মে, ২০২০

ভৈরব থেকে অপহরনের দুদিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে গত রবিবার সন্ধা আনুমানিক ৮টার দিকে দূর্জয় মোর এলাকা থেকে মো.রাজু(৩৫) নামের এক যুবক কে অপহরন করে নিয়েযায় দূর্বৃত্তরা। অপহরণ হওয়া মো.রাজু মিয়া(৩৫) কমলপুর নিউটাউন এলাকার বাসিন্ধা মোঃ সিরাজ মিয়ার ছেলে। অপহরনের দু দিন পর নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলাধীন দরিকান্দি এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পার্শ্বে অজ্ঞাত একটি লাশ পরে থাকতে দেখে এলাকার লোকজন বেলাবো থানায় খবর দিলে তারা লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে বেলাবো থানা থেকে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি নরসিংদী জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের পর বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম কে দেওয়ার কথা হয়েছিলো বেলাবো থানার এস আই কবির হোসেন সাথে। পরে ভৈরব থানার বরাদ দিয়ে লাশটির পরিচয় সনাক্ত হলে আঞ্জুমান মুহিদুল কে না দিয়ে পরিবারের নিকট লাশটি হস্থান্তর করা হয়। এ বিষয়ে বেলাবো থানা পুলিশ বাদি হয়ে লাশ উদ্ধার ও আলামতের প্রেক্ষিতে একটি মাডার মামলা করেন,যার বেলাবো থানা মামলা নং ০২। রাজু মিয়াকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার এর খবর শুনে তার নিজ বাড়ি ভৈরব নিউটাউন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তার স্ত্রী,এক ছেলে ও এক মেয়ে সহ পরিবারে মা, বাবা, ভাই বোন সবাই এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে আছে। তাদের দাবি পূর্ব শত্রুতার জেরে মো. রাজুকে অপহরণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হতে পারে। মো.রাজু (৩৫)অপহরণের পর নৃশংস হত্যার সাথে জড়িত সকল কে সঠিক আইনের আওতায় এনে দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবি জানান পরিবার সহ এলাকাবাসী। লাশটি হস্তান্তরের পর পারিবারিকভাবে দাফন কার্য সম্পন্ন হয়।এই সংবাদটি প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রুেফতার হয়নি।

সুত্র অনলাইন সংস্করণ

শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য