বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২০

গৃহবধূকে জি’ম্মি করে প্রতি রাতে বাড়িতে গিয়ে ধ’র্ষণ করতেন ডাক্তার



কুষ্টিয়ার খোকসায় সংখ্যালঘু গৃহবধূর ঘরে ঢু’কে ধ’র্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে তারপর ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার 
ভ’য় দেখিয়ে ধারাবাহিক শা’রীরিক সম্পর্ক করতে বা’ধ্য করার অ’ভিযোগ উঠেছে শরিফুল ইসলাম নামের এক গ্রাম্য ডাক্তারের বি’রুদ্ধে।
এ ঘটনায় ধ’র্ষণের শি’কার গৃহবধূ মা’মলা করলে ধ’র্ষকের পরিবার ও এক আওয়ামী লীগ নেতা
মা’মলা তুলে নিতে চা’প প্রয়োগ করছে বলে জানা গেছে।
এমতাবস্থায় স্বামী-সন্তানসহ চ’রম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ধ’র্ষণের শি’কার ওই গৃহবধূর পরিবার।
অ’ভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম খোকসা উপজে’লার গোপগ্রাম ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম্য ডা’ক্তার হিসেবে পরিচিত।
ধ’র্ষণের শি’কার ওই গৃহবধূ জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে তার স্বামী ইটভাটার কাজে চু’য়াডাঙ্গায় ছিলেন।
ঘটনার দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে দুই শি’শু সন্তান নিয়ে স্বামীর ঘরে ঘু’মিয়ে ছিলেন তিনি। দুই শি’শু সন্তান নিয়ে স্বামীর ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি।
গভীর রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে যান।
ঘরে ফিরে দরজা দিয়ে ঘুমাতে যাওয়ার সময় বিছানার কাছে প্রতিবেশি যুবক শরিফুলকে দেখে আঁ’তকে ওঠেন।
নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ধ’র্ষকের কাছে পরা’স্ত হন। তিনি জ্ঞান হা’রিয়ে ফে’লেন।
জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর ধ’র্ষক তাকে ধ’র্ষণের ভিডিও দেখায় এবং হুঁ’শিয়ার করে যায় এ ঘটনা কাউকে জানালে আর রক্ষা নেই।
ইন্টারনেটে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেবে। এ ছাড়া তার স্বামী ও দুই শি’শু সন্তানকে হ’ত্যা করবে।
এর পরে ধ’র্ষক তাকে একটা আলা’দা মোবাইল সিম কিনে দেয়।
স্বামী ভাটার কাজে বাড়ির বাইরে থাকায় ফোনে কল দিয়ে প্রতি রাতে তার ঘরে আসতে থাকে।
তাকে ধারাবাহিকভাবে শা’রীরিক স’ম্পর্ক করতে বা’ধ্য করে। পরে এ ঘটনা তিনি তার স্বামীর কাছে খুলে বলেন এবং
শনিবার খোকসা থানায় শরিফুলকে অ’ভিযুক্ত করে মা’মলা করেন। এতে অ’ভিযুক্ত শরিফুল ইসলামকে গ্রে’ফতার করে থানা পুলিশ।
গৃহবধূর স্বামী জানান, ধ’র্ষকের পরিবার ও স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা দাদন ব্যবসায়ী নারায়ণ
মা’মলা তুলে নেওয়ার জন্য সরাসরি ও মুঠোফোনে চা’প দিচ্ছে। মা’মলা তুলে না নিলে দুই শি’শুসহ তাকেও হ’ত্যা করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।
অপরদিকে মা’মলার ত’দন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল মা’মলার মূল আ’লামত ধ’র্ষণের ভিডিও উ’দ্ধারের চেষ্টা না করে উল্টো
ধ’র্ষণের শি’কার গৃহবধূর মোবাইল ফোনের সিম কার্ড নিয়ে গেছে। এমন অবস্থায় তিনি পরিবার নিয়ে চ’রম নিরাপ’ত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানান।
এ বি’ষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা নারায়ণের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তার বি’রুদ্ধে আনা অ’ভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করে তিনি বলেন, একজন পু’লিশ কর্মকর্তার সাথে অভিযোগকারী নারীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি তখনও ওই নারীকে আ’পোষ করতে বলেননি। এখনও মা’মলা তুলে নেওয়ার জন্য চা’প দি’চ্ছেন না।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন জানান, নারায়ণ তার কমিটির সদস্য। এ ছাড়া উপজে’লা পর্যায়ের সাবেক কমিটির প্রচার সম্পাদক ছিলেন। অঃভিযোগটি যেহেতু ধ’র্ষণ পর্যায়ের তাই তিনি সা’লিশ না করে থানায় পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
এ বি’ষয়ে মা’মলার ত’দন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মু’ঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি- এ ঘটনায় শি’শু ও নারী নি’র্যাতন দ’মন আইনে মা’মলা হয়েছে বলেই ফোন কে’টে দেন।

 সুত্র অনলাইন সংস্করণ

শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য