রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২০

ধে`য়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘উম্পুন’ ; করোনার মাঝে আর এক মহা`মারি



ধে`য়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ; নাম দেওয়া হয়েছে ‘উম্পুন’। একেই করোনা ভাইরাসের তা`ণ্ডব, তার উপর ২৯ এপ্রিলে পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসা এস্ট্রয়েড! এরপর এপ্রিলের শেষের দিকে হতে চলেছে নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে চলেছে। এই নিম্নচাপ যদি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় তবে এর নাম হবে ‘উম্পুন’, এরকমটাই জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর
আন্দামান ও নিকোবরের দ্বীপগুলোয় এই ঝড়ের প্রভাব বেশি পড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানিয়েছে, “মে মাসের প্রথমেই আন্দামান সাগর লাগোয়া দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসারে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে চলেছে। এর প্রাথমিক প্রভাব পড়বে আন্দামান ও নিকোবরের দ্বীপগুলোতে। কিন্তু এরপর এর অভিমুখ কী হবে তা এখনো বলা সম্ভব নয়। তা আরো কয়েকদিন পর জানা যাবে।১৮৯১ সাল থেকে এ পর্যন্ত এপ্রিল-মে মাসে যে ঝড়গুলো হয়েছে তার বেশির ভাগেরই গন্তব্য ছিল বাংলাদেশ বা মিয়ানমার। মোট ২৮টি ঝড়ের মাত্র ৪টি গিয়েছে ভারতের দিকে আর বাকি ২৪টিই বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে আঘা’ত হে’নেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এপ্রিল-মে মাসে ধে`য়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়! বলে জানালেও এর গতিপথ বা অভিমুখ সম্পর্কে কিছু বলতে পারেনি
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান জানিয়েছেন, “২৭ এপ্রিলের পর আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় উদয় হবে। সে শক্তি বারাতে পারে আবার কমাতেও পারে।” সবটাই সম্ভাবনার পর্যায়ে থাকলেও একটি বিষয় নির্ধারিত, তা হলো ঘূর্ণি`ঝড়ের নাম।
এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিলেই নাম দেওয়া হবে ‘উম্পুন’। নামটি দিয়েছে থাইল্যান্ড। ঘূর্ণি`ঝড়ের বর্তমান তালিকার এটি শে`ষ নাম। এর আগের ‘ফণি’ ও ‘বুলবুল’ এদুটির নাম যথাক্রমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দিয়েছিল তবে এবারে নামকরণ করেছে থাইল্যান্ড।
এর আগে ‘বুলবুল’ ও ‘ফণির’ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে যে পরিমাণ আঘা’ত হে’নেছিল তা লক্ষ্যণীয় ছিল। তবে এবারের ঝ`ড়ের পশ্চিমবঙ্গে আঘা’ত না করার সম্ভাবনাই বেশি। আসতে পারে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দিকে। ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় গিয়ে আঘা’ত করতে পারে সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত নন আবহাওয়াবিদরা। তবে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ বা মিয়ানমার উপকূলে ঘূর্ণিঝড়টি আঘা’ত হা’নতে পারে। সেক্ষেত্রে চট্টগ্রাম থেকে রেঙ্গুনের মধ্যে ঝড়টি ভূভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা বেশি। তবে এই ঝড়ের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘা’ত হা’নার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
বেশির ভাগ আবহাওয়াবিদরাই বলছেন যে এটি শক্তিশালী হবে তাই সমুদ্রে যাবতীয় রসদ মজুদ করতে উদ্যোগী হচ্ছে অনেকে। ভা’রতীয় গণমাধ্যমগুলোও জানায়, এপ্রিলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের ভা’রতের মূল ভূখণ্ডের দিকে এগিয়ে আসার প্রব`ণতা কম। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, “কোথায় আছড়ে পড়বে এটি, সেই সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি দেশটির আবহাওয়া দপ্তর।”
 সুত্র অনলাইন সংস্করণ

শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য