মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০

কোয়ারেন্টাইনে আবদ্ধ নারীকে রাতভর লাগাতার গণধর্ষণ



বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ। এই ভয় উপেক্ষা করেই একের পর এক ঘটছে চলেছে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি এবং যৌন হেনস্থার মত ঘটনা। এইসব ঘটনার অন্যতম স্থান হল রাজস্থান। তবে রাজস্থানের এবারের ঘটনা যেন মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়। এবারে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকা একলা একটি নারীকে রাতভর গনধর্ষণের মত বর্বরতার ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানে।

লকডাউন থাকায় ওই নারীকে স্থানীয় একটি স্কুলে রাখা হয়। সেখানেই নির্জনতার সুযোগ নিয়ে তিনজন মিলে সারারাত ধর্ষণ করে ওই নারীকে।

ধর্ষীতা ওই নারী জানান, ঋষিকেশ মীনা, লক্ষ্মণ রেগার এবং কমল খারওয়াল নামের তিনজন ধর্ষন করেন তাকে। এরপর তার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তিন ধর্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ওই মহিলার ছেলে নাবালিকা গণধর্ষণে দায়ে জেলে আছেন। ছেলের সঙ্গে দেখা করতে নিয়মিত জেলে যেতেন তিনি।

ছেলের সঙ্গে দেখা করতেই গত মাসে সওয়াই মাধোপুরে যান ওই নারী। এদিকে লকডাউন শুরু হয়ে গেলে জয়পুরে আর ফিরতে পারেননি তিনি। এরপর থেকে সেখানেই বাড়ি ভাড়া করে থাকছিলেন ওই নারী।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার তিনি ঠিক করেন হেঁটেই ফিরবেন জয়পুরের বাড়িতে। সেই মত বেরিয়েও হাঁটাও শুরু করেন তিনি, কিন্তু বিকেল হয়ে যাওয়ায় তিনি রাস্তা হারিয়ে ফেলেন। এরপর টহল পুলিশ দল তাকে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসাবদের জন্য দাড় করায়, সেসময় তার মধ্যে শ্বাসকষ্টের লক্ষণ দেখা দেয়ায় পুলিশ ওই নারীকে নিকটবর্তী সরকারী স্কুলে তৈরি হওয়া কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠায়। তার খাবারের ব্যবস্থাও ওখান থেকেই করা হয়।

এরপর সেখানে থাকা তিনজন তাঁকে রাতভর গণধর্ষণ করে।

শুক্রবার সকালে ওই তিনজনের বিরুদ্ধে বতোড় থানায় অভিযোগ জানান তিনি।

সওয়াই মাধোপুরের পুলিশ সুপার পার্থ শর্মা বলেন, “স্থানীয় তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠান হয়েছে। পাশাপাশি, অভিযোগকারী মহিলার শ্বাসকষ্ট হওয়ায় তাঁকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারেই রাখা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার জন্য তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও মেলেনি।”


শেয়ার করুন

Author:

[সংবাদ, নরম এবং কেবল প্রচার নয়। সাধারণ মানুষের বাস্তব প্রত্যাশা] [সাংবাদিকতা কখনও নীরব হতে পারে না: এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ এবং তার সর্বশ্রেষ্ঠ] “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা”

0 coment rios:

ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য