জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

পছন্দ আর পদ বাণিজ্যে জিম্মি বরিশাল বিএনপি

পছন্দ আর পদ বাণিজ্যে জিম্মি বরিশাল বিএনপি

 


প্রভাবশালীদের পছন্দ আর টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রির গ্যাঁড়াকলে পড়েছে বরিশাল বিএনপি। যে কারণে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়া।

প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে যাওয়ায় বাতিল হয়েছে বরিশাল (দক্ষিণ) জেলা বিএনপির কমিটি। এরপর হওয়া কমিটির বিরুদ্ধেও প্রভাবশালীদের ইচ্ছেমতো অধস্তন কমিটি ভাঙা-গড়ার অভিযোগ উঠেছে।

পদ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে বরিশাল (উত্তর) জেলা বিএনপির বিরুদ্ধে। বিভিন্ন উপজেলা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে-এমন অভিযোগ গেছে কেন্দ্রে। এসব অভিযোগ তদন্তে গঠন করা হয়েছে কমিটি। ১৬ ফেব্রুয়ারি গঠিত ওই কমিটিকে ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

৩ বছর আগে তৃণমূলে দল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয় বিএনপি। এর অংশ হিসাবে ২১-র ৩ নভেম্বর ভেঙে দেওয়া হয় বরিশাল মহানগর-উত্তর ও দক্ষিণ জেলার কমিটি। এরপর দক্ষিণ জেলায় নানা ইউনিট-কমিটি গঠনে বাধা হয়ে দাঁড়ান প্রভাবশালী নেতারা। উত্তরের নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠে টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রির অভিযোগ। এরই মধ্যে গত বছরের ১৫ নভেম্বর ভেঙে দেওয়া হয় দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটি। নয়া আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের দায়িত্ব পান যথাক্রমে সাবেক এমপি আবুল হোসেন এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহিন।

কমিটি ভেঙে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান নান্টু বলেন, ‘সমস্যার মধ্যে শুধু এটুকু দেখি যে দুই প্রভাবশালী নেতার পছন্দ অনুযায়ী কমিটি দেইনি আমরা।

ওই দুই নেতাও আজন্ম বিএনপি করা কেউ নয়। ১৯৯৩ সালে জাসদ থেকে এসে বাকেরগঞ্জের এমপি হওয়া আবুল হোসেন নিজের পছন্দমতো কমিটি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত। একইভাবে ওয়ান-ইলেভেনের সময় ফেরদৌস আহম্মেদ কোরেশীর দল থেকে বিএনপিতে আসা সরফুদ্দিন সান্টু চেয়েছিলেন বানারীপাড়ায় তার প্রেসক্রিপশনে কমিটি হোক। কিন্তু আমরা সুযোগ দেই ত্যাগী-পরীক্ষিতদের। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা নানা মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে চলেছেন।’

অ্যাডভোকেট নান্টুর এই অভিযোগের সত্যতা মেলে নয়া আহ্বায়ক আবুল হোসেনের বক্তব্যে। সাবেক এমপি এবং জাতীয় নির্বাচনে যারা মনোনয়ন প্রার্থী তাদের সঙ্গে কোন আলোচনা না করে তিনি ইচ্ছেমতো কমিটি দেওয়ার অভিযোগ করেন নান্টু-মেবুলের বিরুদ্ধে। এসব কারণে কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে থাকাকালে বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর, বানারীপাড়া পৌর, বাবুগঞ্জ এবং বরিশাল সদর উপজেলায় নতুন কমিটি করেন নান্টু-মেবুল।

এরপর দায়িত্ব পেয়ে বাকেরগঞ্জ ও বরিশাল সদর উপজেলার সেই কমিটি ভেঙে দেন আবুল-শাহিন। গঠন করেন নতুন কমিটি। এই কমিটি নিয়েই বাধে জটিলতা। বাকেরগঞ্জ উপজেলা কমিটি নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে বরিশাল সদরের কমিটি অন্যায়ভাবে ভাঙার অভিযোগ দেওয়া হয় মহাসচিবের কাছে। বাকেরগঞ্জের নয়া কমিটির আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ জমাদ্দারের বিরুদ্ধে ১৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে যোগদান এবং এই অপরাধে দল থেকে বহিষ্কার হওয়ার অভিযোগ করে সদ্য সাবেক আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ সিকদার বলেন, ‘সদস্য সচিব পদে আসা নাসির হাওলাদারের পরিবার বহুরূপী। নাসিরের এক ভাই জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা। অন্যরাও আছেন নানা দলে। মূলত একক অধিপত্য বজায় রাখতেই এটা করেছেন আবুল হোসেন। এখানে বিএনপি নয়, যারা আবুল দল করে তাদের নিয়ে চলেন তিনি। টানা ২২ বছর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালে তার পছন্দে কমিটি করতে জেলা বিএনপি রাজি না হলে কেন্দ্র থেকে ১১৬ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি পাশ করিয়ে আনেন আবুল। সেখানে তিনি ছিলেন আহ্বায়ক এবং বাকিরা সদস্য। কোনো সদস্য সচিব ছিলেন না। বিএনপির ইতিহাসে এমন কমিটি আর কোথাও হয়নি।’

অভিযোগের ব্যাপারে আবুল হোসেন বলেন, ‘উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় চাপে পড়ে ১৫ আগস্টের কর্মসূচিতে যোগ দেন হারুন জমাদ্দার। নাসির হাওলাদার বহু বছর ধরে বিএনপি করেন। সব ইউনিয়ন নেতাদের সম্মতিক্রমে নতুন কমিটি করা হয়েছে। যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে তার একটিও সত্য নয়।’

বরিশাল সদর উপজেলার সদ্য গঠিত আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন নিয়েও দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক ও রফিকুল ইসলাম সেলিমকে সদস্য সচিব করে গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি ঘোষণা হয় চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি। নয়া কমিটির আহ্বায়ক করা হয় সদর উপজেলার সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী এনায়েত হোসেন বাচ্চুকে। বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক নুরুল আমিনের অভিযোগ, ‘কোনো কারণ ছাড়াই সম্পূর্ণ ব্যক্তিস্বার্থে ভেঙে দেওয়া হয়েছে আমাদের কমিটি। নতুন আহ্বায়ক টানা ১০ বছর ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। এই ১০ বছর নিষ্ক্রিয় থাকা ছাড়া আর কোনো অর্জন নেই সদর উপজেলা বিএনপির। সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে আমি যেখানে প্রায় ২ ডজন মামলা খেয়েছি, জেল খেটেছি সেখানে বর্তমান আহ্বায়কের জেলে যাওয়া তো দূরের কথা, একটি মামলার আসামিও হতে হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমি মহাসচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

অভিযোগ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন বলেন, ‘পূর্বের কমিটি করার ক্ষেত্রে সাংগঠনিক নিয়ম মানা হয়নি। কমিটি করার সময় সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট বাচ্চু হজে ছিলেন। অনুরোধ করেছিলেন দেশে আসার পর কমিটি করতে। সেই অনুরোধও রাখা হয়নি। এসব বিবেচনায় কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করা হয়েছে।’

উত্তর জেলা বিএনপির আওতাধীন নানা উপজেলা কমিটি গঠন নিয়েও চলছে জটিলতা। এখানে দায়িত্বরত আহ্বায়ক কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ টাকার বিনিময়ে দলীয় পদ-পদবি বিক্রির। এই অভিযোগে উপজেলা আগৈলঝাড়া-গৌরনদী থেকে শুরু করে মুলাদী এমনকি বরিশাল নগরে দফায় দফায় বিক্ষোভ আর ঝাড়ু মিছিল করেন নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, এক সময় বাসে ওঠার ভাড়া না থাকা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মুকুল এখন আকাশপথে ঢাকায় যাওয়া-আসা করেন। তিনি ও আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সংস্কারপন্থিদের নিয়ে কমিটি করছেন। মুকুল নিজেও এক সময় জাতীয় পার্টি করতেন। পদবাণিজ্য করে এই দুই নেতা কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। অভিযোগ সম্পর্কে উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ‘উত্তর জেলার অনেক নেতা আছেন কেন্দ্রের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে। সবাই চান পছন্দমতো কমিটি। তাদের পছন্দমতো পদ দিতে না পারার কারণেই এসব মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।’

দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি’র মতো একটি বড় দল যেখানে নেতা হওয়ার মতো অনেক যোগ্য লোক আছে সেখানে পদ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ থাকতেই পারে। পদ বাণিজ্যের যেসব অভিযোগ উঠেছে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ২ সদস্যের তদন্ত কমিটিও করেছে কেন্দ্র। কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ অভিযোগ তদন্তে কেন্দ্রের করা কমিটির প্রধান দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে আমি বরিশালে যাব অভিযোগের ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে। বরগুনা এবং পিরোজপুরের কিছু অভিযোগও রয়েছে। মাঠপর্যায়ে তদন্ত করে যা পাব তা জানাব কেন্দ্রকে। তারপর কেন্দ্র ব্যবস্থা নেবে।’

বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১

গাজীপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

গাজীপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত



গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (গাসিক) সালনা এলাকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মেহেদি হাসান মেরিন (৩০) নামে মোটরসাইকেলের এক আরোহী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন হুমায়ুন কবির (২৫) নামে মোটরসাইকেলের আরো এক আরোহী।

বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মঞ্জুর মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, বুধবার (০১ জুলাই) রাতে সালনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মেহেদি গাসিক সদর থানার পশ্চিম ভুরুলিয়া এলাকার মো. শান্ত শেখের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি টেক্সটাইল কারখানায় চাকরি করতেন মেহেদি।

আহত হুমায়ুন গাসিকের পূবাইল থানার হারবাইদ এলাকার জিতু মিয়ার ছেলে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মঞ্জুর মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বুধবার রাতে কারখানা ছুটি শেষে সহকর্মী হুমায়ুনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে গাজীপুর শহরের দিকে যাচ্ছিলেন মেহেদি। পথে রাত ৯টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সালনা ইপসা গেটের কাছে এলে একটি কাভার্ডভ্যান পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হন ওই দুই আরোহী। এ অবস্থায় এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মেহেদিকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হুমায়ুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১

তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই, বন্যার আশঙ্কা

তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই, বন্যার আশঙ্কা

 


ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে চর অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন।

বুধবার দুপুরে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ (বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে ব্যারেজ রক্ষায় ৪৪টি গেট খুলে দেয়া হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ৬টা থেকে থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সর্বশেষ দুপুর ১২টায় পানি ৫২ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার স্পর্শ করে। ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তিস্তার পানি।

জানা যায়, তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে ভাঙন।

এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী ও সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুণ্ডা, ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে।

সিন্দুর্না ইউপি সদস্য মফিজার রহমান বলেন, ‘তিস্তার পানি কয়েকদিন স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। মঙ্গলবার রাত থেকে আবারো বাড়তে শুরু করে পানি। পানি থেকে বাঁচতে কিছু পরিবার উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে।

এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) আব্দুল আল মামুন বলেন, উজানে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

লালমনিরহাটের ডিসি আবু জাফর জানান, বন্যার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া আছে। বন্যার্তদের সহায়তা দেয়ার জন্য শুকনো খাবার মজুত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

দেশের উন্নয়নের স্বার্থে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভ্যাট দিতে হবে: কেসিক মেয়

দেশের উন্নয়নের স্বার্থে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভ্যাট দিতে হবে: কেসিক মেয়

 


জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে খুলনায় খাত ভিত্তিক সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী ১০টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের আয়োজনে কমিশনারেটের টেনিস গ্রাউন্ডে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এতে প্রধান অতিথি ছিলেন।

জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহের এবারের প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, ইএফডিতে এনবিআর’। প্রধান অতিথি সিটি মেয়র বলেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভ্যাট দিতে হবে। দেশের নিজস্ব অর্থায়নে ঢাকার মেট্রোরেলসহ বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার করব্যবস্থাকে আধুনিক, গতিশীল, যুগোপযোগী এবং করদাতাবান্ধব করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভ্যাটদাতারা এখন ঘরে বসেই অনলাইনে ভ্যাট প্রদান করতে পারবেন।

ব্যবসায়ীরা যাতে ভ্যাট প্রদানে হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন সিটি মেয়র। তিনি বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নে আন্তরিক। মৃত প্রায় মোংলা বন্দর আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রায় ১৮শত কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান আছে।

খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মোঃ সামছুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মোংলা কাস্টমস হাউজের কমিশনার হোসেন আহমদ এবং খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এর সহসভাপতি মোস্তফা জিসান ভূট্ট। স্বাগত জানান অতিরিক্ত কমিশনার মোঃ তাসনিমুর রহমান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত কমিশনার মোঃ রাসেদুজ্জামান আলম।

অনুষ্ঠানে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা এই তিন ক্যাটাগরীতে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী ১০টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো মধ্যে উৎপাদনে খুলনার আব্দুল্লাহ ব্যাটারী কোঃ লিঃ, সাতক্ষীরার চায়না বাংলা ফুডস, শরীয়তপুরের মেসার্স মনিকা কেমিক্যাল এবং বাগেরহাট মোংলার এসকেএস এলপিজি। সেবায় খুলনার টাইগার গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল, শরীয়তপুরের চিত্ত ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং বাগেরহাটের হোটেল অভি। ব্যবসা পর্যায়ে সাতক্ষীরার মেসার্স শাহিল এন্টারপ্রাইজ, শরীয়তপুরের মেসার্স এজি ট্রেডার্স এবং বাগেরহাটের মেসার্স তারেক এন্টারপ্রাইজ।

রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০

দেশের ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

দেশের ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা


ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দেশের ১০টি অঞ্চলে রয়েছে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা। আজ (১৫ জুন) দুপুর পর্যন্ত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে যে ১০ অঞ্চলে সেসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব/দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
 সুত্র অনলাইন সংস্করণ

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..

রবিবার, ২৪ মে, ২০২০

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী



দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুসলমানদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি বাংলাদেশের জনগণসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। ঈদ মোবারক। ঈদুল ফিতর মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশে সব ধর্ম এবং বর্ণের মানুষ এ উৎসবে সমানভাবে শামিল হন। ঈদের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে উপভোগ করেন।’

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে ঘোষিত লকডাউন বিশ্বের প্রায় সব দেশই ইতোমধ্যে শিথিল করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ অনির্দিষ্টকালের জন্য মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ করে রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে তো নয়ই।

তিনি আরও বলেন, ‘রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য বিশেষ তহবিল বাবদ ৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ সুবিধা কার্যকর করা হয়েছে। যারা কাজে যোগ দিতে পারেননি, তারাও শতকরা ৬০ ভাগ বেতন পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে এ প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা শুরু হয়েছে। দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় একদিকে মালিকদের আয় যেমন বন্ধ হয়েছে, তেমনি কর্মচারীরাও বিপাকে পড়েছেন। বেশিরভাগ দোকান মালিকের কর্মচারীদের বেতন দেয়ার সামর্থ্য নেই। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।’

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ঈদের আগে স্বাস্থ্যবিধি এবং অন্যান্য নিয়ম-কানুন মেনে কিছু কিছু দোকানপাট খুলে দেয়ার অনুমোদন দিয়েছি। যারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন এবং যারা দোকানে কেনাকাটা করতে যাচ্ছেন, আপনারা অবশ্যই নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন। ভিড় এড়িয়ে চলবেন।


সুত্র online

শনিবার, ২৩ মে, ২০২০

চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ সোমবার

চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ সোমবার



অনলাইন রিপোর্টার দেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সোমবার (২৫ মে) সারাদেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিন ৮টা ১৫ মিনিটে চাঁদ দেখা কমিটির পক্ষ থেকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেশের কোথাও থেকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসাবে রমজান ৩০টি পূর্ণ করে আগামী ২৫ মে সোমবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
এদিকে রবিবার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে। শুক্রবার (২২ মে) ২৯ রমজানে সেখানে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় দেশটির কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়।
সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর বাংলাদেশে চাঁদ দেখা যায়। এবছর বাংলাদেশে রমজানও শুরু হয়েছিল সৌদি আরবের একদিন পর।
শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা বসে।
বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭, ৯৫৫৮৩৩৭ নম্বরে ফোন করে অথবা ৯৫৬৩৩৯৭ ৯৫৫৫৯৫১ নম্বরে ফ্যাক্স করে জানানো যাবে।
সুত্র অনলাইন সংস্করণ


আজ সন্ধ্যায় বসছে চাঁদ দেখা কমিটি

আজ সন্ধ্যায় বসছে চাঁদ দেখা কমিটি


                                  আজ সন্ধ্যায় বসছে চাঁদ দেখা কমিটি
পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ।
বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিচের টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে কমিটি।
টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১

সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

এসএসসির ফল জানাতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু

এসএসসির ফল জানাতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু

একদিকে করোনাভাইরাস অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে সবকিছু থমকে গেলেও আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। সে অনুযায়ী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানাতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করেছে মোবাইল অপারেটরগুলো।
জানা গেছে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এরপর ২১ মে’র পর ফল প্রকাশ করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড কমিটি। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।
এসএসসি পরীক্ষার এই ফল জানাতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করেছে মোবাইল অপারেটরগুলো। গ্রাহকদেরকে এরইমধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে সে তথ্য জানাতে শুরু করেছে তারা। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফল এর প্রি-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ফল প্রকাশের দিন স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঘরে থেকে সরাসরি মোবাইলে ফল পেতে মেসেজ করতে হবে। সেজন্য টাইপ করতে হবে এই নিয়মে : SSC<>Board Name<>Roll<>Year। আর এটি পাঠিয়ে দিতে হবে ১৬২২২ নাম্বারে। একজন যতবার খুশি ততবার পাঠাতে পারলেও সেজন্য চার্জ প্রযোজ্য হবে।
সুত্র অনলাইন সংস্করণ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০

৫০ লাখ পরিবারকে নগদ টাকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

৫০ লাখ পরিবারকে নগদ টাকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন


নিউজ ডেস্ক:
করোনাভাইরাস মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ অসহায় পরিবারের জন্য নগদ ১২৫০ কোটি টাকা অর্থ সহায়তা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঈদুল ফিতরের আগে মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ, রকেট, নগদ ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবার নগদ ২৫০০ টাকা করে সহায়তা পাবে।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রতি পরিবারে ধরা হয়েছে চারজন সদস্য, সেই হিসাবে এই নগদ সহায়তায় উপকার ভোগী হবে ২ কোটি মানুষ।
জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষক, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এই তালিকা তৈরি করেছেন।
ভাতা পাওয়ার তালিকায় আছেন রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষ।
তালিকাভুক্তদের মধ্যে নগদ, বিকাশ, রকেট, এবং শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে সরাসরি চলে যাবে এই টাকা, ফলে বাড়তি কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না তাদের। টাকা পাঠানোর খরচ সরকার বহন করবে। এই টাকা উত্তোলন করতে ভাতাভোগীদের কোন খরচ দিতে হবে না।
এই ৫০ লাখ পরিবারের বাইরে আরও ৫০ লক্ষ পরিবারের প্রায় ২ কোটি সদস্য আগে থেকেই রয়েছে ভিজিএফ কার্ডের আওতায়। এছাড়াও রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘প্রতিদিন ১০ লাখ মানুষ নগদ সহায়তা পাবেন এবং পুরো তহবিল ১৪ থেকে ১৮ মে’র মধ্যে বিতরণ করা হবে।’
পরিবার নির্বাচনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন সরকারের ত্রাণ সহায়তা পাচ্ছে এমন ১ কোটি ২৫ লাখ পরিবারের মধ্যে দরিদ্রতম ৫০ লাখ পরিবারের সমন্বয়ে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এর আগে, সোমবার, সরকারের অর্থ বিভাগ ৫০ লাখ মানুষকে নগদ সহায়তার জন্য ১ হাজার ২৫৭ কোটি টাকার তহবিল ছাড় করে।
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জন্য বাজেট-১ শাখা থেকে ৬২৭ কোটি টাকা এবং বাজেট-৩ শাখা থেকে ৬৩০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করছে।

বুধবার, ১৩ মে, ২০২০

এক মিনিটের ফ্রি বাজার

এক মিনিটের ফ্রি বাজার


সকাল থেকে নগরের ওয়াসার জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদের সামনে লোকে লোকারণ্য। তাঁরা এসেছেন নগরের বিভিন্ন জায়গা থেকে। সবাই দুস্থ ও কর্মহীন মানুষ। সারিবদ্ধভাবে একজন একজন করে ঢুকছেন আর এক মিনিটেই সেরে ফেলছেন বাজার। চাল, ডাল, সাবান, মাস্ক থেকে শুরু করে সবজি  ব্যাগে ভরে বেরিয়ে যাচ্ছেন বাজার থেকে। এভাবে এ বাজারে এক হাজার জন পরিবারের জন্য বাজার করেছেন এক মিনিটেই। তবে এ বাজারে এসে কাউকে টাকা দিয়ে কিনতে হয়নি কোনোকিছু। সবকিছু পাচ্ছেন একদম ফ্রি।বুধবার (১৩ মে) জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ মাঠে এমনি এক অভিনব বাজার চালু করেছে সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ভিডিশনের সদস্যরা। সকাল ১০ টায় এ ফ্রি বাজারটির উদ্বোধন করেন ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশ বিগ্রেডের ডাইরেক্টর জেনারেল বিগ্রেডিয়ার জেনারেল তানভীর।সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাতকানিয়া ও সীতাকুণ্ডের প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সবজি সংগ্রহ করে দুস্থ ও কর্মহীনদের মধ্যে বিতরণ করবেন। এ বাজার চালুর মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রান্তিক কৃষকরা তাদের ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন তেমনি দুস্থ ও কর্মহীনরা পাচ্ছেন খাদ্য সহায়তা।এ বাজারে এক মিনিটেই পরিবারের জন্য বিনামূল্যে বাজার করতে পেরে খুশি সবাই। পর্যায়ক্রমে এ বাজারের মাধ্যমে ৩০ হাজার দুস্থ ও কর্মহীন মানুষকে দেওয়া হবে খাদ্য সহায়তা।

সুত্র অনলাইন সংস্করণ


রবিবার, ১০ মে, ২০২০

করোনাকালে বাড়ছে প্লাস্টিক বর্জ্য, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

করোনাকালে বাড়ছে প্লাস্টিক বর্জ্য, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা



সম্প্রতি বেড়ে যাওয়া বর্জ্যের বেশিরভাগই হচ্ছে সার্জিক্যাল মাস্ক, পলিথিনের হ্যান্ড গ্লাভস, সার্জিক্যাল হ্যান্ড গ্লাভস, পলিথিন ব্যাগ এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বোতল বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে একবার ব্যবহার করা প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সংস্থাটি বলছে, ২৬ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ১৪ হাজার ৫০০ টন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্লাস্টিক বর্জ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব পণ্যের বেশিরভাগই হচ্ছে সার্জিক্যাল মাস্ক, পলিথিনের হ্যান্ড গ্লাভস, সার্জিক্যাল হ্যান্ড গ্লাভস, পলিথিন ব্যাগ এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বোতল। এসব বর্জ্যের বড় অংশ ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে, ৩০৭৬ টন।
এসডোর নির্বাহী পরিচালক সিদ্দিকা সুলতানা বলছেন, সার্জিক্যাল মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস সব কিছু বর্জ্যের সঙ্গে একত্রে মিশে যাচ্ছে। ফলে সেটা যেমন পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হচ্ছে, সেই সঙ্গে যারা এসব বর্জ্য সংগ্রহ করছেন তাদের স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। কিন্তু এই বিষয়ে কোন নজরদারি, নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। তাদের কোনরকম স্বাস্থ্য সতর্কতার ব্যাপার নেই। একদিকে একবার ব্যবহৃার্য প্লাস্টিক বর্জ্য বেড়ে যাচ্ছে, পাশাপাশি পরিছন্নতা কর্মীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
ঢাকা নগরীতে কয়েক হাজার পরিছন্নতা কর্মী কাজ করেন। এসডো বলছে, এই পরিছন্নতা কর্মীরা আক্রান্ত হয়ে পড়লে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বড় একটি সংকট তৈরি হবে।
এখনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এই পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে।- বলছেন নির্বাহী পরিচালক সিদ্দিকা সুলতানা।
বেসরকারি এই সংস্থাটি বলছে, এসব বর্জ্যের ফলে অ্যাজমা, ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগে আগাম মৃত্যু, শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, ঝাপসা লাগা, চর্মরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার, কিডনি ও লিভারের সমস্যা, ব্লাডপ্রেশার, শিশুদের স্বল্পবুদ্ধি হওয়ার মতো সমস্যার তৈরি হতে পারে।
এসডো তাদের গবেষণায় দেখতে পেয়েছে, এসব বর্জ্যের প্রায় ১২ দশমিক ৭ শতাংশ সার্জিক্যাল ফেসমাস্ক, ২৪ দশমিক ২ শতাংশ পলিথিনের তৈরি সাধারণ হ্যান্ড গ্লাভস, ২২ দশমিক ৬ শতাংশ সার্জিক্যাল হ্যান্ড গ্লাভস এবং ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ খাদ্যদ্রব্য বহনের একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিনের বাজারের ব্যাগ।
সুত্র অনলাইন সংস্করণ
জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে লকডাউন শিথিল হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে লকডাউন শিথিল হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী


করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে সরকার ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের জন্য অনুদান গ্রহণের সময় দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা ধীরে ধীরে কিছু (সেক্টর) পুনরায় খুলে দেয়ার চেষ্টা করছি। যাতে লোকেরা পবিত্র রমজানে কিছু জীবিকা অর্জন করতে পারে সে জন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
দেশের ৫৫টিরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোভিড-১৯ এর কারণে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্রদের সহায়তায় রোববার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান প্রদান করেছে।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি মানুষের অনেক সমস্যা হচ্ছে। আমরা তাদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
এ সংকটকালে বিপুল ধান ঘরে তোলা কৃষকদের দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যেহেতু ধানের (এ মৌসুমের) প্রায় ফসল ঘরে তোলা হয়েছে, তাই মানুষের খুব বেশি (খাদ্যের ঘাটতির কারণে) অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দেশের অর্থনীতির অনেক ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা দৈনিক কাজের ওপর নির্ভরশীল তারা তাদের কাজ হারিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেকেই বেকার হয়ে পড়েছে। যদিও আমরা সহায়তার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি, তারপরও তাদের পক্ষে জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এসব অনুদান গ্রহণ করেন। সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। এ সময় চীনের কমিউনিস্ট পার্টি তহবিলের জন্য ৫০ হাজার সার্জিকাল মাস্ক সরবরাহ করে।
অনুদান প্রদান করা ৫৫টি সংস্থার মধ্যে রয়েছে- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জামালপুর), শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় (নেত্রকোনা), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া), ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, নগদ (রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক পরিষেবা), বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কনস্ট্যাবুলারি (এমওডিসি), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, জীবন বিমা করপোরেশন, সাধরণ বিমা করপোরেশন, বাংলাদেশের বিনিয়োগ সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ বীমা সমিতি।
এ ছাড়া আরো অনুদান প্রদান করে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, বিসিএস কাস্টমস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), বিসিএস কৃষি সমিতি, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিসার্স সমিতি, পোল্ট্রি সমিতি, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স পরিষদ, সড়ক ও জনপথ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স সমিতি, বঙ্গবন্ধু পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স সমিতি, বাংলাদেশ চা সমিতি, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ক্লাব লিমিটেড, বুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ নিবন্ধীকরণ সেবা সমিতি, থার্মাক্স গ্রুপ, ম্যাক্স গ্রুপ, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এবং পূর্বাচল ক্লাব লিমিটেড।
এসব সংস্থার পাশাপাশি মোস্তাসিম বিল্লাহ সিয়াম নামে একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অর্থ অনুদান করেন।